ইদ সবে কেটেছে। ইদে রেড রোডের মঞ্চ থেকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেছিলেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই দেখা গেল, ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গীতা হাতে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন। তাও আবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। যিনি কদিন আগে বলেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু বিধায়কদের চ্🦹যাংদোলা করে ছুঁড়ে ফেলা হবে। যা পাল্টা দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেছিলেন, ঠুসে দেবেন। এবার গীতা ধর্মগ্রন্থ হাতে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, শুভেন্দু অধিকারীর কোনওদিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না।
এই ভবিষ্যদ্বাণী ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যꦆ–রাজনীতির পারদ উর্দ্ধমুখী হতে শুরু করে দিয়েছে। রাজনীতির ময়দানে আবার শুরু হতে চলেছে বাকযুদ্꧙ধ। তবে এই ভবিষ্যদ্বাণী আগে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও করেছিলেন। কুণালবাবু কিছুদিন আগে বলেছিলেন, দাদা থেকে দাদু হয়ে যাবেন শুভেন্দু। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হওয়া হবে না। তবে কুণাল ঘোষের হাতে কোনও ধর্মের ধর্মগ্রন্থ ছিল না। এবার কট্টর মুসলিম হিসাবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তুলে নিলেন ভগবত গীতা। আর করলেন ভবিষ্যতবাণীও। হুমায়ুন কবীর আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী কোনও দিন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না।’
আরও পড়ুন: সাংসদ নেই বসিরহাটে, দ্রুত উপনির্বাচন করা হোক, কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের মামলা
ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কের এই দাবি করার পর জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই নিয়ে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। কেন এমন বললেন হুমায়ুন? অনেকে মনে করছেন, শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি নেতারা হিন্দু ধর্ম নিয়ে প্রতিনিয়ত কোপচে থাকেন। তাই গীতা হাতে রেখেই আক্রমণ করলেন হুমায়ুন। যাতে বিজেপি নেতারা বেড়ে খেলতে না পারেন। এই বিষয়ে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ‘আমি ক💦ট্টর মুসলমান। তবুও আমি গীতা রেখেছি। কারণ, আমার কিছু জানার আছে। এই সব লোকেদের কথার উত্তর দিতে হবে সেই কারণে।’