পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা দফতর প্রকাশ করল বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগের বিধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি। এর আগে, উচ্চ প্রাথমিকে এই নিচোগের ক্ষেত্রে বিধি ঘিরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্য়ে আসে। এরপর এল এই প্রাথমিক ঘিরে বিজ্ঞপ্তি।🔥 উল্লেখ্য, প্রাথমিকে বিশেষ🍎 চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষক বা স্পেশ্যাল এডুকেটর নিয়োগে প্যানেল প্রকাশ করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ্বতা ধরে রাখার উপর জোর দেওয়া হয়।
সদ্যই হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে প্রাথমিকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষক বা স্পেশ্যাল এডুকেটর নিয়োগে ছাড়পত্র পেয়ে🐟ছে শিক্ষা দফতর। তারপরই এল এই বিধি ঘিরে বিজ্ঞপ্তি। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ওএমআর শিট সংরক্ষণ হবে ১০ বছর। এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কারা, কীভাবে আবেদন করতে পারবেন তাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
যোগ্যতা:-
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, যিনি আবেদন করতে চান,সেই প্রার্থীকে অবশ্যই টেট উত্তীর্ণ হতে হবে। এই নিয়োগের পরীক্ষায় বসতে গেলে ‘রিহ্যাবিলিটশনস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া’ (আরসিআই) অনুমোদিত কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা থাকতে হবে। এমনই জানানো হয়েছে রাজ্যসরকারের বিধিতে। প্রকাশিত বিধি অনুযায়ী, ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রয়েছে চুক্তি ভিত্তিক স্পেশ্যাল এডুকেটর নিয়োগের জন্য। রিপোর্ট বলছে, মূলত, রাজ্যে ২৭০০ টি স্পেশ্যাল এডুকেটরের পদ খালি রয়েছে। সেই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে তোড়জোড়। বিধি বলছে, কর্মরত হিসাবে স্পেশ্যাল এডুকেটরের পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষায় বসার সুযোগ রয়েছে। বলা হচ্ছে, সমগ্র শিক্ষা মিশনের অধীনে যে সমস্ত প্রার্থী এই স্পেশ্যাল এডুকেটর হিসাবে কর্মরত, তাঁরাও এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন। ৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁরা পরীক্ষা দিতে পারব🔯েন।
স্বচ্ছ্বতা ধরে রাখার ওপর জোর:-
এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছ্বতা ধরে রাখা যায়, তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্যানেলে থাকা প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। জানানো হয়েছে, এই পদে শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বে থাকবে ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি ♋স্কুল কাউন্সিল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে রাজ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। এই প্রথমবার রাজ্যে স্পেশ্যাল এডুকেটর নিয়োগ হতে চলেছে। তার বিধি ঘিরে এল বিজ্ঞপ্তি।