রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, এই নামের সঙ্গে নিশ্চয় নতুন করে আলাপ করানোর প্রয়োজন নেই। একসময়ের বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি, আর বর্তমানে তিনি দিদি নম্বর ওয়ানের দৌলতে রোজই চর্চায় থাকেন। আবার অভিনয় কেরিয়ারের সঙ্গে রাজনীতিতে যোগ দিয়েও সফ𝐆ল তিনি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে হুগলির সাংসদ নির্বাচিত হন রচনা।
তবে এতো꧃ গেল তাঁর কেরিয়ারের খবর। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একমাত্র ছেলে প্রণীল বসুর দায়িত্বশীল মা। তবে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী কে? বেশকিছুদিন আগেও একথা অনেকেই জানতে চাইতেন। তবে ভোটে জেতার পর রচনার সঙ্গে আজকাল মাঝেম♎ধ্যেই দেখা মেলে তাঁর স্বামী প্রবাল বসুর। যদিও দীর্ঘদিন তাঁরা এক ছাদের তলায় থাকতেন না। তবে একে অপরকে ডিভোর্স দেননি কখনওই। সম্প্রতি ফের তাঁরা কাছাকাছি এসেছেন বলেই জানা যায়।
সম্প্রতি ফেসবুকের পাতায় উঠে এসেছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রবাল বসুর বিয়ের ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিয়ের দিন গোলাপী রঙের বেনারসি ও লাল গোলাপ ফুলের মালায় সেজ🦄েছিলেন রচনা। তাঁর গা ভর্তি সোনার গয়না। অন্যদিকে প্রবাল বসুকে দেখা যাচ্ছে চিরাচরিত বাঙালি বরের সাজে। সাদা ধুতি-পাঞ্জাবিতে সেজেছেন তিনি, গলায় ঝুলিয়েছেন লাল গোলাপের মালা। রচনার সিঁদুর দান থেকে মালাবদল, আবার গায়ে হলুদেও ছবিও উঠে এসেছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক বিয়ের দিন কেমন লাগছ🐼িল রচনাকে!
এদিকে রচনার এই বিয়ের ছবি দেখে নেটিজেনদের অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, ‘বিয়ের দিনও অভিনেত্রীর♊ এমন গোমড়া মুখ কেন?’
প্রসঙ্গত শোনা যায়, প্রবাল বসুর সঙ্গে রচনা দ্বিতীয় বিয়ে সেরেছিলেন। ২০০৭এ তাঁদের বিয়ে হয়। তার আগে জনপ্রিয় ওড়িয়া অভিনেতা সিদ্ধান্ত মহাপাত্রকে ভালোবেসে বিয়ে কর🌌েছিলেন রচনা। তাঁরা একত্রে বহু ছবিতে কাজ করেছেন। জানা যায়, প্রায় ৪০টি ছবিতে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছিলেন রচনা ও সিদ্ধান্ত। সেই কাজের সূত্রেই তাঁদের আলাপ এবং প্রেম। যদিও তাঁদের সেই সম্পর্ক সুখের হয়নি। ভেঙে যায় বিয়ে। ২০০৪ সালে আলাদাꩲ হয়ে যান তাঁরা। পরে ২০০৭ এ প্রবাল বসুকে বিয়ে করেন। তাঁদের একমাত্র ছেলের নাম প্রণীল বসু। যদিও প্রবাল বসুর সঙ্গেও দীর্ঘ দিন আলাদাই থাকছিলেন রচনা। জানা যায়, ছেলের জন্য তাঁরা পাকাপাকি ভাবে আলাদা হননি কোনওদিনও। তবে বর্তমানে ফের স্বামীর কাছাকাছি এসেছেন অভিনেত্রী, এমনই খবরই শোনা যায়।