দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৮। মঙ্গলবার রাতে কলকাতার SSKM হাসপাতালে সুতপা বণিক নামে এক বধূর মৃত্যু হয়েছে। ওদিকে ভোরের আলো ফুটতে আরও স্পষ্ট হয়েছে বিস্ফোরণের ভয়াবহতা। এই ঘটনায় কারখানার ২ মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় NIA তদন্তের দাবি করেছে বিজেপি।সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ঢোলাহাটে চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে তছনছ হয়ে গিয়েছে গোটা বাড়ি। চন্দ্রকান্ত বণিকের বাড়িতে বাজি কারখানা ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। রাতের বিস্ফোরণে ৪ শিশুসহ মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দমকল পৌঁছে আগুন নেভায়। ঘটনার পর থেকে পলাতক বণিক পরিবারের বাকি সদস্যরা।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে ১০ মিনিট দূরত্বে ঢোলাহাট থানা। বিধায়কের বাড়ির দূরত্বও মেরে কেটে ১০ মিনিট। পুলিশ ও শাসকদলের মদতেই চলছিল বেআইনি বাজি কারখানা। যদিও পারথপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়কের দাবি, বাজি কারখানার অনুমতি ছিল। স্থানীয়দের পালটা প্রশ্ন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাজি কারখানার অনুমতি দিল কে?মঙ্গলবার সকালে আলো ফুটলে দেখা যায়, শুধু বাড়ি নয়, বাড়ির চারপাশে বালতিতে, বস্তায় মজুত করা রয়েছে প্রচুর বারুদ ও বাজি তৈরির অন্যান্য সরঞ্জাম। কয়েকটি ব্যাগে বিক্রির জন্য রাখা আছে তৈরি করা বাজি। বিস্ফোরণের তীব্রতায় বাড়িটির বেশ কয়েকটি ঘরের ছাদের ও দেওয়ালের পলেস্তরা খসে পড়েছে। উড়ে গিয়েছে দরজা। গোটা বাড়িটা যেন ধ্বংসস্তূপ।এই ঘটনায় চন্দ্রকান্ত বণিক ও তুষার বণিকের বিরুদ্ধে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ।