চরম সমস্যায় পড়েছেন পুরাতন মালদা পুরসভার অন্তর্গত বাসিন্দারা। কারণ এখানে ১১ দিনের বেশি হয়ে গেল বন্ধ পুরাতন মালদা পুরসভার অন্তর্গত লোলাবাগ শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি। এই ইলেকট্রিক চুল্লি বন্ধ কারণ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। যা এখনও মেরামত করা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তাই এই শ্মশানে মরদেহ নিয়ে এসেও দাহ না করি𝄹য়েই ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। এখানের স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে এই বিষয়টি নিয়ে এখন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শ্মশানে ইলেকট্রিক চুল্লি একটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। সেখানে এমন ঘটনা ঘটেছে জানাজানি হওয়ায় চাপে পড়েছেন বাসিন্দারা।
এদিকে মালদা পুরসভার কাছে শ্মশানের কাছে মহানন্দায় সিঁড়ি ঘাট নির্মাণ, শ্মশানের কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধি এবং তোরণ গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন। সেখানে শ্মশান বিকল হয়ে পড়ে আছে অথচ মেরামত হচ্ছে না বলে অভিযোগ। মালদা পুরসভা সূত্রে খবর, ২০২০ সালে এই শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোলা𒊎বাগে ইলেকট্রিক চুল্লি চালু করা হয়। তাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপকারই হয়েছিল। মরদেহ নিয়ে এসে এখানে দাহকার্য করতেন তাঁরা। কিন্তু এখানে এবার যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য দাহ কাজ বন্ধ রয়েছে। আর এই পুরসভা কর্তৃপক্ষ মার্চ মাসের ১৯ তারিখ নোটিশে ইলেকট্রিক চুল্লি বন্ধ করার কথা জানিয়েছিল।
আরও পড়ুন: ‘এই বছরই ছাত্র সংসদ নির্বাচন করার কথা ভাবা হচ্ছে’, বোলপুরে নয়া বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
অন্যদিকে সেই নোটিশের পর মেরামত আর হয়নি। মার্চ মাস শেষ হতে চলল। শ্মশানে থাকা ইলেকট্রিক চুল্লি ঠিক হল না। কদিন আগে দুর্গাপুরের শ্মশানে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেখানে বেওয়ারিশ লাশ পড়ে থেকে পচে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। কারণ সেখানে কাঠের অভাব দেখা দিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সমস্যা দেখা দিল পুরাতন মালদা পুরসভার অন্তর্গত লোলাবাগ শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লিতে। এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা পরিতোষ দাস, সাহেব দাস, নিরঞ্জন সাহারা বলেন, ‘শুনেছি ইলেকট্রিক চুল্🧸লি খারপ হয়ে গিয়েছে। আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। এবার আবার ঘটল। সুতরাং শ্মশান বন্ধ।’
এছাড়া ১১ দিন অতিক্রান্ত হলেও পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষজন। এখানের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বাসন্তী রায়ের বক্তব্য, ‘সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি শুনলাম। এখনও চুল্লি ঠিক হয়নি। এটা পুরসভার ব্যর্থতা। ওই শ্মশান আমাদের ওয়ার্ডে। রাস্তার ধারে শ্মশান লেখা একটা তোরণ বসাতে পুরসভাকে লিখিত চিঠি দিয়েছিলাম। সেটাও হয়নি।’ পাল্টা মালদা পুরাতন পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের কথায়, ‘চুল্লির একট♔া মেশিন খারাপ হয়েছে। কদিনের মধ্যেই মেরামত হয়ে ঠিক করা হবে।’