𝔉 গুজরাটের বিখ্যাত খাবার ধোকলা সারা ভারতে খুব আগ্রহের সাথে খাওয়া হয়। কম তেলে তৈরি এই খাবারটি সবাই বিভিন্ন উপায়ে বানাতে পছন্দ করে। গুজরাটে এটি তৈরি করা হয় গাঁজানো চাল এবং ডালের মিশ্রণ দিয়ে। তবে, আপনি এটি বেসন দিয়েও বানাতে পারেন। গুজরাটে বেসন দিয়ে তৈরি ধোকলাকে খামান বলা হয়। বেশিরভাগ মানুষই এটি বাড়িতে তৈরি করতে পছন্দ করেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ হল, ঘরে তৈরি ধোকলা টাইট এবং কাঁচা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে, বাজারের মতো নরম-স্পঞ্জি ধোকলা তৈরি করতে এখানে দেওয়া টিপসগুলি অনুসরণ করুন।
এটি সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
🃏ঢোকলা বেসন দিয়ে তৈরি। নরম ও মসৃণ করার জন্য, এতে সুজি যোগ করা যেতে পারে। বেসনের সাথে সামান্য সুজি মিশিয়ে দিলে ধোকলা স্পঞ্জি হয়ে যায়।
নরম করার জন্য গাঁজন প্রয়োজন।
🌟অনেক মহিলা অভিযোগ করেন যে ঘরে তৈরি ধোকলা খুব টাইট হয়ে যায়। বাড়িতে বাজারের মতো নরম-স্পঞ্জি তৈরি করতে গাঁজন প্রয়োজন। এর জন্য, ব্যাটার মেশানোর পর, কমপক্ষে 30 থেকে 40 মিনিটের জন্য রেখে দিন। অথবা সোডা ব্যবহার করুন।
পেটানো আরও ভালো টেক্সচার দেবে
𓄧ব্যাটারটা ভালোভাবে ফেটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটারটি কয়েকবার বিট করার চেষ্টা করুন। এটি করলে ধোকলা মসৃণ এবং নরম হয়ে যাবে। এছাড়াও, এটি করলে ব্যাটারে আর কোনও পিণ্ড থাকে না।
এই টিপসটি এটিকে কাঁচা থাকতে দেবে না।
🌊ধোকলা যদি ভেজা হয়ে যায় তাহলে কাঁচাই থাকে। তাই, ধোকলা যাতে ভেজা না হয়, তার জন্য স্টিমারের ঢাকনা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে দিন অথবা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে ঢেকে দিন। এই দুটি কৌশল ঢাকনার উপর জমে থাকা পদার্থ ধোকলার উপর পড়তে বাধা দেয় এবং এটিকে ভিজে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
পাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি প্রাথমিক ভাবে অন্য ভাষায় প্রকাশিত। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে এটির বাংলা তরজমা করা হয়েছে। HT বাংলার তরফে চেষ্টা করা হয়েছে, বিষয়টির গুরুত্ব অনুযায়ী নির্ভুল ভাবে পরিবেশন করার। এর পরেও ভাষান্তরের ত্রুটি থাকলে, তা ক্ষমার্হ এবং পাঠকের মার্জনা প্রার্থনীয়।