🦄 আপনি যদি আপনার ওজন কমানোর লক্ষ্য পূরণ করতে চান অথবা গ্রীষ্মে আপনার শরীর ঠান্ডা রাখতে চান, স্যালাডের প্লেটে রাখা শশা প্রায়শই প্রতিটি চাহিদা পূরণ করতে দেখা যায়। শশায় উপস্থিত জলের পরিমাণ, ফাইবার, ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যের জন্য এত উপকারী হওয়া সত্ত্বেও, অতিরিক্ত শশা খাওয়া উপকারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত শশা খাওয়ার ফলে সৃষ্ট ৫টি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা কী কী।
অতিরিক্ত শশা খেলে ৫টি প্রধান সমস্যা
পেটের সমস্যা
🥃শশায় কিউকারবিটিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা বেশি পরিমাণে খেলে পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা বদহজম হতে পারে। যাদের পাচনতন্ত্র ইতিমধ্যেই দুর্বল তাদের খুব বেশি শশা খাওয়া উচিত নয়।
নিম্ন রক্তচাপ
♒শশায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিন্তু এর অত্যধিক ব্যবহার রক্তচাপ কমিয়ে হাইপারক্যালেমিয়ার মতো স্বাস্থ্যগত অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। যা ফোলা, খিঁচুনি, গ্যাস এবং কিডনি সম্পর্কিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত জলের কারণে ভারসাম্যহীনতা
ꦍশশায় ৯৫ শতাংশ জল থাকে। অতিরিক্ত পরিমাণে এটি গ্রহণ করলে শরীরে জলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, যা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণ হতে পারে।
অ্যালার্জির সম্ভাবনা
🤡কিছু লোকের শশা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে, যার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে চুলকানি, মুখে জ্বালাপোড়া বা ত্বকে ফুসকুড়ি।
প্রস্রাব সংক্রান্ত সমস্যা
𓃲শশার প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক (প্রস্রাব বৃদ্ধিকারী) বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যদি কারো ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা থাকে, তাহলে সীমিত পরিমাণে শশা খাওয়া উচিত।
পরামর্শ
😼সুষম পরিমাণে শশা খান (প্রতিদিন ১-২টি মাঝারি আকারের শশা যথেষ্ট)। এটি খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন যাতে এতে থাকা কোনও কীটনাশক বা ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। যদি আপনার হজমের সমস্যা থাকে, তাহলে রাতে শশা খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
ꦐপাঠকদের প্রতি: প্রতিবেদনটি প্রাথমিক ভাবে অন্য ভাষায় প্রকাশিত। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে এটির বাংলা তরজমা করা হয়েছে। HT বাংলার তরফে চেষ্টা করা হয়েছে, বিষয়টির গুরুত্ব অনুযায়ী নির্ভুল ভাবে পরিবেশন করার। এর পরেও ভাষান্তরের ত্রুটি থাকলে, তা ক্ষমার্হ এবং পাঠকের মার্জনা প্রার্থনীয়।