ইদের প্রাক্কালে ফের একবার ভারতীয় সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে মিথ্যাচার পাকিস্তানের। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বলেছেন, সংখ্যালঘুদের অধিকারকে সমর্থন করারও কোনও অধিকার ভারতের নেই। তবে এই অভিযোগ করা পাকিস্তানেই হিন্দু ও শিখ সংখ্যালঘুদের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে দিনকে দিন। সেখানে তাদের জীবন, সম্পত্তি, মন্💯দির এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্রমাগত আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এরই সঙ্গে পাকিস্তানে ক্রমেই বাড়ছে কট্টরপন্থা। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সন্ত্রাসবাদ। যার জেরে হাত পুড়ছে পাকিস্তানের নিজেদেরই। এর জেরে জঙ্গিরা হামলা করছে মসজিদেও। তবে পাকিস্তান নিজেদের সমস্যার সমাধান না করে শুধু আঙুল তুলবে ভারতেরই দিকে।
সম্প্রতি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর লোকসভায় পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের দুর্দশা নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। এরই পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, তার দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সংখ্যালঘুদের সুরক্ষ꧟ায় কাজ করছে। বরং ভারতে সংখ্যালঘুদেওর বিরুদ্ধে ঘৃণা, বৈষম্য ও পদ্ধতিগতভাবে সহিংসতায় উসকানির দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। এর আগে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর গত ২৮ মার্চ সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, 'ভারত সেই প্রতিবেশী দেশের মানসিকতা পরিবর্তন করতে পারবে না, যারা ধর্মান্ধ। এমনকী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীও এই কাজটা করতে পারেননি।'
লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে জয়শংকর আরও বলেছিলেন, 'পাকিস্তানে হিন্দু সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের 🐠উপর অসংখ্য নিপ🍨ীড়ন ও হামলার ঘটনা ঘটলেও পাকিস্তান সরকার তাদের রক্ষা করার জন্য কোনও পদক্ষেপ নেয় না। সরকার পাকিস্তান ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং রাষ্ট্রসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে তাদের নিপীড়নের বিষয়টি উত্থাপন করেছে।'
তিনি বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে হিন্দুদের উপর ১০টি, শিখদের উপর অত্যাচারের দুটি ঘটনা এবং খ্রিস্টানদের উপর অত্যাচারের একটি ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। বিদেশমন্ত্রী হোলি উদযাপনকারী পড়ুয়াদের অপহরণ, জোর করে ধর্মান্তকরণ এবং পুলিশি পদক্ষেপের অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আহমদিয়া সম্প্রদায়ের লোকদের হয়রানির একটি ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে পাকিস্তানে। জয়শংকর বলেন, 'পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর যে অত্যাচার চলছে তা কারও কাছেই গোপন নয়। দেশে জোর করে ধর্মান্তকরণ, মন্দ𒐪িরে হামলা, ভুয়ো ধর্ম অবমানন🙈ার মামলা, সংখ্যালঘু মেয়েদের অপহরণের ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে পাকিস্তানে হিন্দু ও শিখদের জনসংখ্যা ক্রমাগত কমছে, কারণ তারা ক্রমাগত ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হচ্ছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।'