ꦓ ব্যস্ত রাস্তা আটকে মহিলার রিল ভিডিয়ো শ্যুট। ভিডিয়ো করলেন তাঁর ননদ।থমকে গেল ট্র্যাফিক। রাস্তায় প্রবল যানজটের সৃষ্টি হতেই চটে গেল আমজনতা। আর সেই রিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল এক পুলিশ কনস্টেবলকে। জানা গিয়েছে, রাস্তা আটকে রিলস শ্যুট করছিলেন ওই পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী। আর স্ত্রীয়ের এই কাণ্ডের জন্য মাসুল দিতে হত পুলিশকর্মী স্বামীকে। ঘটনাটি ঘটেছে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ২০-র।
🙈 জানা গিয়েছে, কনস্টেবল অজয় কুন্ডুর স্ত্রী জ্যোতি ২০ মার্চ সেক্টর ৩২-এর একটি মন্দির দর্শনের পর তাঁর ননদ পূজার সাহায্যে ওই রিল তৈরি করেছিলেন। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তিনি সেক্টর ২০-র গুরুদোয়ারা রাউন্ড-অ্যাবাউট এলাকায় জেব্রা ক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে হরিয়ানভি গানের সঙ্গে নাচছেন, সেই সময় ট্র্যাফিক সিগন্যালে গাড়িগুলি থেমে ছিল।
🥃 রিলটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর হেড কনস্টেবল জসবীর সিং চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানান, মহিলার এই কর্মকাণ্ড শুধু ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন ঘটায়নি, বরং এটি দুর্ঘটনার কারণও হতে পারত। তিনি ওই মহিলার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানান।
🐼 চণ্ডীগড় পুলিশ তদন্ত শুরু করে ও সেক্টর ২০ গুরুদোয়ারা চক, সেক্টর ১৭ পুলিশ স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। এরপর চণ্ডীগড় পুলিশ গত সপ্তাহে সেক্টর ২০-র বাসিন্দা জ্যোতি ও পূজাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। পরে তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
✨ তবে তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে যে, কনস্টেবল অজয় কুন্ডুই এই রিলটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন। এরপর চণ্ডীগড় পুলিশ বিভাগ তাঁকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তাঁরা সেক্টর ৩২-এর একটি মন্দির দর্শনের পর জনপ্রিয় হরিয়ানভি গানে নেচেছিলেন। এর ভিত্তিতে ট্র্যাফিকে বাধা দেওয়া এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপরাধ জ্যোতি ও পূজার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৫, ২৯২ এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। তাঁরা জানতে পারেন জ্যোতি, সেক্টর ১৯ থানায় কর্মরত কনস্টেবল অজয় কুণ্ডুর স্ত্রী।
♉ তবে, অজয় কুণ্ডুর বরখাস্ত শাস্তি নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, স্ত্রীর কাজের জন্য কেন তাঁকে শাস্তি পেতে হবে। এক ব্যক্তি বলেন, 'সাসপেন্ড করা ভুল সিদ্ধান্ত। ভিডিওটি শুধুই বিনোদনের জন্য ছিল, কেই কোনও অপরাধ করেনি।' যদিও অন্যজন লেখেন, 'রিল বানানোর এই আসক্তি কোথা থেকে এল! মানুষের আরও কাজ করা দরকার।'