ꦺ খবরটি ছড়িয়ে পড়ে প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কেটে নিয়েছে প্রেমিকা বলে। কারণ বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিক এখন বিয়ে করতে চাইছে না। কিন্তু ঘটনার অন্তর্তদন্তে নেমে দেখা যায়, এই ঘটনা প্রেমিক–প্রেমিকার নয়। এই ঘটনা আসলে ঘটেছে দেওর এবং বউদির মধ্যে। গোটা ঘটনাটি প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি রাজারহাট এলাকার বড়কামাত গ্রামে। আর আজ, বৃহস্পতিবার এটাই সেখানে সবচেয়ে চর্চিত বিষয়। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়ার মুদির দোকানে এই নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
෴স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার ঘড়িতে তখন রাত ৮টা। ইব্রাহিম হক নামে এক যুবককে ডেকে পাঠান সাবিনা পারভিন নামে এক গৃহবধূ। এই বধূর সঙ্গে ইব্রাহিমের একটা অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেটা প্রেমের ছিল না। শারীরিক ছিল। সাবিনা পারভিন সম্পর্কে ইব্রাহিম হকের বউদি। সম্প্রতি দেওর–বউদির মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। এই শারীরিক সম্পর্ক দেওর ইব্রাহিম হক ঘনিষ্ঠ কাউকে বলেছিল বলে অভিযোগ। আর সেই কথা জানতে পারার জেরেই ইব্রাহিম হককে বাড়ির পাশের ভুট্টা খেতে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে পালিয়ে যান বউদি সাবিনা।
আরও পড়ুন: মদের আসরে ছাতু বিক্রেতাকে খুনের অভিযোগ, সোনারপুরে তিন বন্ধুকে গ্রেফতার করল পুলিশ
যদিও পারিবারিক সূত্রে খবর, জমি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই গোলমাল হয়েছে। তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। যদি পরিবার এই অবৈধ সম্পর্ক ঢাকতেই এমন জমি বিবাদের কাহিনী শোনাচ্ছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার মধ্যে প্রেমিক–প্রেমিকার মতো কোনও ঘটনা ছিল না। বরং দেওর– বউদির অবৈধ সম্পর্ক প্রকাশ্যে এসে পড়ায় এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটেছে।🌠 দেওর কদিন আগে বউদিকে জানিয়ে দেয়, তাদের মধ্যে যা ঘটেছে তা দুর্ঘটনা বলে ভুলে যেতে। সেই কারণে অতীতের সম্পর্ক ভুলতে না পেরেই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বউদি সাবিনা।
এই ঘটনার পরে স্বামী মমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে পলাতক অভিযুক্ত সাবিনা পারভিন। ওই ঘটনার পর রাতেই স্থানীয় বাসিন্দারা ইব্রাহিম হককে উদ্ধার করেন। তাঁরা তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধীনে থাকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান।ꦓ পরে ইব্রাহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত সাবিনা ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।