মাধ্যমিকের জীবন বিজ্ঞানের প্রশ্ন সময়োপযোগী হয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। তাঁদের মতে, খুব সহজ বা খুব কঠিন প্রশ্ন করা হয়নি। ‘স্ট্যান্ডার্ড’ প্রশ্ন করা হয়েছে। পড়ুয়ারা এতদিন যা পড়াশোনা করেছে, সেটা কতটা রপ্ত করতে পেরেছে, কতটা বুঝতে পেরেছে, তা যাচাই করে দেখার উপরে জোর দিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালির বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক অর্ঘ্য পালের কথায়, ‘জীবনবিজ্ঞানের প্রশ্ন ঠিকই আছে। সময়োপ🌊যোগী প্রশ্ন করা হয়েছে। অ্যাপ্লিকেশন-বেসড প্রশ্ন করা হয়েছে।’
কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে ধন্দ তৈরি হতে পারে!
তবে কয়েকটি প্রশ্নের ক্ষেত্♏রে পড়ুয়াদের মধ্যে কিছুটা ধন্দ তৈরি হত🐷ে পারে বলে জানিয়েছেন বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন, ৪.৪-র প্রশ্নে ‘মানস মানচিত্র’ নির্মাণ করতে বলা হয়েছে (পূর্ণমান পাঁচ)। সাধারণত এই ভাষার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা খুব একটা পরিচিত নয়। যদিও ওই প্রশ্নে বিকল্প ছিল। ৪.৪ দাগের প্রশ্নে ছিল দুটি প্রশ্ন। একটি লিখতে হয়েছে পড়ুয়াদের।
আবার ৪.৫ দাগের প্রশ্ন ‘অংগজ’ বংশবিস্তারের জ♛ানতে চাওয়া হয়। জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক জানিয়েছেন, কোন ধরনের ‘অংগজ’ বংশবিস্তারের (প্রাকৃতিক নাকি কৃত্রিম) বিষয়ে লিখতে হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে দেওয়া হয়নি। তাই পড়ুয়াদের কিছুটা ‘কনফিউশন’ হতে পারে। তবে তাতেও বিকল্প প্রশ্ন ছিল ♐(পূর্ণমান পাঁচ)।
একইভাবে এক নম্বরের একটি প্রশ্ন নিয়েও পড়ুয়াদের কিছুটা ধন্দ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের 🌞শিক্ষক। ওই প্রশ্নটা ছিল, ‘মানবদেহে মোট ___________ জোড়া করোটি স্🌄নায়ু ও সুষুম্না স্নায়ু আছে।’ উল্লেখ্য, ওখানেও বিকল্প ছিল। মোট ছ'টি শূন্যস্থান পূরণ করতে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচটির উত্তর দিতে হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য এক নম্বর বরাদ্দ ছিল।
পাঠ্যপুস্তক ও অনুশীলনের লেখার ধরণ পালটানোর পরামর্শ
সার্বিকভাবে এবারের মাধ্যমিকে যেরকম প্রশ্ন এসেছে, তাতে সন্তোষপ্রকাশ করেছেন বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের শিক্ষক। সেইসঙ্গে একꦡটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এখন বাজারে যে সব পাঠ্যপুস্তক আছে এবং সেইসব পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে থাকা অনুশীলনের লেখার ধরণ যেরকম, সেটা কিছুটা পালটাতে হবে। সেটা না পജালটেই এরকম প্রশ্ন করা হলে মধ্যমানের পড়ুয়াদের কিছুটা সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জীবনবিজ্ঞানে কীসের ছবি আঁকতে দেওয়া হয়েছে?
মাধ্যমিকের জীবনবিজ্ঞানে আঁকার যে অংশ (চারের দাগের এক নম্বর প্রশ্ন - ৪.১ প্রশ্𒐪ন) থাকে, তাতে দুটি প্রশ্ন এসেছে। একটি আঁকতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। মোট পাঁচ নম্বর ছিল। একটি ছবি এঁকে তাতে চারটি অংশ চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক জানিয়েছেন, অঙ্কনের জন্য যে দুটি বিষয় দেওয়া হয়েছিল, তাতে পড়ুয়াদের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বিশেষত এবার চোখ তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর সেটা এসেছে। অর্থাৎ আঁকার ক্ষꦜেত্রে পরীক্ষার্থীরা ‘কমন’ প্রশ্ন পেয়েছে ব♛লে জানিয়েছেন বারাতলা পোয়ালি হাইস্কুলের শিক্ষক।
— মানুষের অক্ষিগোলকের লম্বচ্ছেদের একটি বি🍸জ্ঞানসম্মত চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম্নলিখিত অংশগুলো চিহ্নিত করো -
ক) কর্নিয়া খ) লেন্স গ) ভিট্রিয়াস হিউমর ঘ) রেটিনা।
অথবা
— প্রাণীকোষের মাইটোসিসের অ্যানাফেজ দশার একটিি বিজ্ঞানসম্মত চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম♑্নলিখিত অংশগুলো চিহ্নিত করো -
ক) অপত্য ক্রোমোজোম খ) অবিচ্ছিন্ন তন্তু গ) ♛🦩সেন্ট্রিওল ঘ) ক্রোমোজামাল তন্তু।
জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষা কেমন হল? পড়ুয়ারা কী বলল?
নঙ্গী হাইস্কুলের ছাত্র ঈশান হাজরা জানিয়েছে, জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষা ভালো হয়েছে। গতকাল থেকে শরীর কিছুটা ♋খারাপ ছিল। ফলে জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষা নিয়ে কিছুটা বাড়তি টেনশন হচ্ছিল। তবে সেইসব সামলে যেমন পরীক্ষা হয়েছে, তাতে খুশি বলে জানিয়েছে নঙ্গী হাইস্কুলের ছাত্র।