ꦓ ন্যাশনাল ই–গভর্নেন্স অ্যাওয়ার্ডে এবার বাংলার জয়জয়কার। কারণ এখানে মনোনীত হয়েছে বাংলার সাতটি পঞ্চায়েত। এই পুরষ্কার দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই সেই তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেখানে নাম রয়েছে—হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং আলিপুরদুয়ার জেলা। এই সাতটি জেলার অন্তর্গত সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত এখন ন্যাশনাল ই–গভর্নেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত হয়েছে। এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত হল—হাওড়ার শ্যামপুর ২ ব্লকের বানেশ্বরপুর ২, হুগলির সিঙ্গুর ব্লকের মির্জাপুর–বঙ্কিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ১ মাঝিপাড়া পলাশি, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর ২ ব্লকের কালিয়াড়া ২, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া ব্লকের দেভোগ, পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের কাশীপুর এবং আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকের টুরটুরিখান্দা।
ꦓরাজ্য সরকারের কাজের নিরিখেই এই পুরষ্কার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পুরষ্কার মেলার কথা ইতিমধ্যেই রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির ব্লকের পঞ্চায়েতকে জানিয়ে দিয়েছে। সুতরাং সেখানে খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এখানের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির ই–গভর্নেন্সের নিরিখে রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন বিভাগের তথ্য নিয়ে একটি ভিডিয়ো পাঠাতে বলা হয়েছে। এবার সেসব কেন্দ্রীয় সরকারের পঞ্চায়েত মন্ত্রকে পাঠাবে রাজ্য সরকার। তারপর তাঁরা এই বিষয়ে নির্বাচন করবে বলে খবর।
আরও পড়ুন: নির্দিষ্ট বিধি মেনে ব্যারিকেড ব্যবহার করতে হবে, রাজ্যকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট
রাজ্য সরকার যে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সেটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে নানা কেন্দ্রীয় পুরষ্কার এবং শংসাপত্রের মধ্য দিয়ে। প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত ই–গভর্নেন্সে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে মনোনীত হয়েছে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে এগিয়ে গিয়েছে পুরুলিয়ার পুঞ্চা ব্লকের লাখরা গ্রাম পঞ্চায়েত। একই পুরষ্কার পেতে চলেছে জঙ্গলমহল পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এই বিষয়ে কাশীপুর ব্লকের বিডিও সুপ্রিম দাস বলেন,🔜 ‘আমাদের ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ই–গভর্নেন্সে জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার জন্য মনোনীত হয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’
এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি যেগুলি ন্যাশনাল ই–গভর্নেন্স অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে সেগুলিতে জন্ম–মৃত্যু শংসাপত্র থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের অধিকাংশ পরিষেবা অনলাইনে পেয়ে থাকে। তাতে নাগরিকদের অনের সুবিধাও হয়েছে। আর দুর্ভোগ পোহাতে হয় না গ্রামবাসীদের। অনলাইন পরিষেবা দেওয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতাতেও এগিয়ে গিয়েছে এই পঞ্চায়েতগুলি। অনলাইনেই বহু সমস্যার সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এই অনলাইনে যুক্ত রয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ। 🌊গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নানা বিভাগ কাজ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক পুরষ্কার পেয়ে আসছে। ই–গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে অন্যাথা হল না।