দীর্ঘ ৪৫ বছরের কেরিয়ার তাঁর। টলিউডে একসময় জমিয়ে কাজ করেছেন অনামিকা সাহা। একদিকে যেমন দাপুটে ভিলেন বিন্দুমাসি, অন্যদিকে তিনিই স্নেহময়ী মা। দীর্ঘ কেরিয়ারে নানান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অনামিকা সাহা। সম্প্রতি এক দ্যা ওয়াল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোমা ফাটিয়েছেন অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, সন্ধ্যা রায় তাঁর উপর দীর্ঘ মানসিক ও দৈহিক অত্যাচার করেছেন। আর এসবই নাকি ঘটেছিল তরুণ মজুমদারে🧜র ছবি 'পুতুল'-এর সেটে।
অনামিকা বলেন, ছবির একটি দৃশ্যে সন্ধ্যা রায়ের অনামিকা সাহাকে চড় মারার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যা রায় চড় মারার পরও খান্ত হনন, তাঁর বিনুনি ধরে টেনে বাঁশের সঙ্গে অনামিকার সাহার মাথা ঠুকে দেন। আর তাতেই 🦩তাঁর মাথা ফুলে ঢোল।🐬 এদিকে সেসময় ক্রেন থেকে চিৎকার করছিলেন পরিচালক তরুণ মজুমদার। তবে সেদিন সন্ধ্যা রায় কেন গাড়িতে উঠে বেরিয়েও যান, তা তাঁর জানা নেই বলে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন 'বিন্দুমাসি'।
প্রসঙ্গত, আরও এক ইউটিউব চ্যানেলকে সাক্ষাৎকারে এই একই বিষয়ে কথা বꦜলেছেন অনামিকা সাহা। তিনি বলেন, তাঁর ধারণা, স্বামী তরুণ মজুমদারের সঙ্গে অনামিকা সাহার নৈকট্য বাড়ুক তা সম্ভবত চাইতেন না সন্ধ্যা রায়। এমনকি 'বিন্দুমাসি'💎 অভিনয় নিয়েও অস্তিত্ব সংকটে ভুগতেন তিনি।
আরও পড়ুন-মানুষ যা খা🐽য়, তারই ঢেকুর ওঠে…, আর আমরা তো চোরেদের সরকার নিয়ে এসেছি…: হিরণ
'পুতুল খেলা' ছবির শ্যুটিং হয়েছিল বোলপুর থেকে দূরে অযোধ্যা নগরে। শ্যুটিং শুরুর আগে হঠাৎই অনামিকাকে ডেকে পাঠান সন্ধ্যা রায়। তিনি ঘরে ঢুকতেই সন্ধ্য়া রায় প্রশ্ন করেন, ‘তুমি ব্রা পরোনি?’ এমন প্রশ্নে কিছুটা হকচকিয়ে গিয়েছিলেন, ভয়ও পেয়েছিলেন। তবু নি♔জেকে সামলে জবাব দেন, পরিচালক তরুণ ♒মজুমদার আর কস্টিউমের দায়িত্বে থাকা সত্যদার কথাতেই তিনি এই কাজ করেছেন। তবে তাঁর মুখে এই দুই নাম শুনে আর সন্ধ্যা রায় কিছু বলতে পারেননি।
শুধু🌠 তাই নয়, একসময় ‘সাহা’ পদবী নিয়েও অনেক কথা শুনতে হয়েছিল অনামিকা সাহাকে। এক নামী অভিনেতা বলেন, ‘টালিগঞ্জে বেনোজল ঢুকে গেলো তো! ইন্ডাস্ট্রিতে এতদিন চট্টোপাধ্যায়, বন্দ্যোপাধ্যায়রা ছিলেন, এই সাহা-সুরি কোথা থেকে এল!’ অনামিকা সাহার কথায়, ‘সেদিন খুব কান্না পেয়েছিল।’