𒁃‘যত বড়ো হও, তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে বড় নও।/ আমি মৃত্যুর চেয়ে বড় এই শেষ কথা বলে যাব আমি চলে..’ সৃজিতের আসন্ন ছবি ‘কিলবিল সোসাইটি’-এর 'আনন্দ কর'-এর চরিত্রের যেন এটাই বাস্তবতা। এবার সে ‘মৃত্যুঞ্জয়’। ১৩ বছর আগে মুক্তি পেয়েছিল ‘হেমলক সোসাইটি’। আর তার এত বছর পর আসছে এই ছবির সিক্যুয়েল ‘কিলবিল সোসাইটি’। ইতিমধ্যেই সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের এই ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। আর এবার সামনে এল ‘কিলবিল সোসাইটি’র প্রধান মুখ পরমব্রত চট্টপাধ্যায়ের চরিত্র ‘আনন্দ কর’-এর নতুন রূপ ‘মৃত্যুঞ্জয়’। সঙ্গে প্রকাশ্যে এল ছবি মুক্তির দিনক্ষণ।
ꦫপরমব্রতর চরিত্র 'আনন্দ কর'কে ন্যাড়া মাথায় একেবারে অন্য লুকে দেখা গিয়েছিল ছবির প্রথম ঝলকে। ‘হেমলক সোসাইটি’তে দেখানো হয়েছিল 'আনন্দ' মারণ রোগে আক্রান্ত, তার জেরেই কি নায়কের এই লুক? সেই উত্তর অবশ্য এখনও অধরা। কিন্তু তা দেখে এইটুকু আভাস পাওয়া যায় যে সে মৃত্যুকে জয় করেছে। আর তাই এবার সে আর আনন্দ কর নয়, সেই 'মৃত্যুঞ্জয়'।
൲তবে মৃত্যুকে পরাজিত করলেও সেই এবার নিজেই ‘মৃত্যু’র দূত। এবার বদলে গিয়েছে পাশার দান, তাই ‘আনন্দ’ এবার সবার মুখে হাসি ফোটানো ‘ব্যাটম্যান’ নয়, বরং 'জোকার'। এখন সে মানুষকে প্রানে বাঁচার গুরুত্ব বোঝানোর বদলে, নিজের হাতেই তুলে নিয়েছে মারণাস্ত্র। তাই শনিবার প্রকাশ্যে আসা 'আনন্দ কর'-এর ক্যারেক্টার ইন্ট্রোয় তাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আমি আর আনন্দ কর নই। আমি মৃত্যুঞ্জয় কর হয়ে গিয়েছি। আমি আর ব্যাটম্যান নই, বহুদিন আগেই জোকার হয়ে গিয়েছি।’ আর তাই বদলেছে তার কাজের ধরন, 'হেমলক সোসাইটি' পরিণত হয়েছে 'কিলবিল সোসাইটি'তে। এই 'সোসাইটি' এখন অর্ডার মাফিক 'খুন' করে। আর সেই সব হত্যালীলা হিসেবের খাতায় কত অঙ্ক হয়েছে তা জানাতেই আসছে ‘আনন্দ’ থুড়ি 'মৃত্যুঞ্জয় কর'। কিন্তু সে ‘ব্যাটম্যান’ থেকে কেন ‘জোকার’ হল, তার উত্তর অবশ্য এখনও অজানা। তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ১১ এপ্রিলের, কারণ ওই দিনই বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে 'কিলবিল সোসাইটি'।
আরও পড়ুন: 🐼ন্যাড়া মাথায় পরম, চোখে চশমা পরা উদ্বিগ্ন কৌশানী! প্রকাশ্যে সৃজিতের 'কিলবিল সোসাইটি'র ফার্স্ট লুক
🌺পরমব্রত ছাড়াও ছবিতে 'পূর্ণা'র চরিত্রে ধরা দেবেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। তিনি ছাড়াও ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নজরকাড়াতে চলেছেন, বিশ্বনাথ বসু, সন্দীপ্তা সেন এবং অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। তবে শুধু অভিনয় নয়, ছবির গান নিয়েই এর আগে বড় চমক দিয়েছিলেন সৃজিত। ছবির সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন অনুপম রায়, রণজয় ভট্টাচার্য।