꧙জনবসতি একেবারেই শূন্য। তাই কারও কোনও দ্রব্যেরও প্রয়োজন নেই। দ্রব্যের প্রয়োজন না থাকলে সাধারণত বিনিময় প্রথারও স্থান থাকে না। সুযোগ থাকে না বাণিজ্যের। অথচ ট্রাম্পের শুল্ক নীতি সেই জনমানবহীন দ্বীপকেও বাদ রাখেনি। সম্প্রতি হোয়াইট হাউস থেকে ‘লিবারেশন ডে ট্যারিফ’এর নামে বহু দেশের উপর কর চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তালিকায় রয়েছে ভারতও। একই সঙ্গে সেই তালিকায় ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ হার্ড অ্যান্ড ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ।
﷽মানুষ নেই, কারও কিছু প্রয়োজন নেই, বাণিজ্যের সুযোগও নেই। তাহলে কেন এই দ্বীপ ট্রাম্পের করের গ্রাস থেকে মুক্তি পেল না? সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ওই দ্বীপটি আদতে অস্ট্রেলিয়ার অন্তর্ভুক্ত। তাই অস্ট্রেলিয়ার উপর চাপানো কর দ্বীপটির ঘাড়েও চেপেছে।
আরও পড়ুন — 🦂Viral News: গাড়ি দাঁড় করিয়ে রিলে ব্যস্ত ২ তরুণী! স্ত্রীর কাণ্ডে শাস্তি পেলেন পুলিশ স্বামী
🍨অস্ট্রেলিয়া সরকারের ওয়েবসাইট অনুযায়ী এই দ্বীপটি পৃথিবীর অন্যতম অরণ্যসংকুল ও শুনশান দ্বীপ। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে জাহাজে করে ঝড়ঝাপ্টা পেরিয়ে সেখানে পৌঁছাতে ১০ দিন লেগে যায়। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকাভুক্ত এই দ্বীপ বর্তমানে পেঙ্গুইন, সীল মাছ ও পাখিদের কলোনি। আপাতত ট্রাম্প মুলুকের ন্যুনতম কর ১০ শতাংশ। সেই হারেই কর দিতে হবে এই জনমানবহীন আইল্যান্ডের অন্যান্য বাসিন্দাদের!