উত্তরপ্রদেশে তরুণীকে ধর্ষণ ও অনলাইনে ছবি শেয়ার করা মামলায় অভিযুক্তকে জামিন দিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। জামিনের শর্ত হিসাবে আদালত জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নির্যাতিতাকে বিয়ে করবেন অভিযুক্ত। রায় দেওয়ার সময় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণন পহল বলেন, 'সংবিধানের ২১ ধারায় বলা হয়েছে যে একজন ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার শুধুমাত্র অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার কারণে কেড়ে নেওয়া যাবে না। যতক্ষণ না যুক্তিসঙ্গত ভিত্তিতে দোষ প্রমাণিত হয়। (আরও পড়ুন: লন্ডনে জয়শংকরের ওপর হা📖মলার চেষ𒁃্টা নিয়ে মুখ খুলল ভারত, বার্তা UK সরকারকে)
আরও পড়ুন -Yunus on Awam🐎i League: আওয়ামী লিগ ভোটে লড়বে কিনা, সেটা তারাই বলতে পারবে, দাবি ইউনুসের
জানা গেছে, গত বছর রাজস্থানের সিকার জেলার ২৬ বছর বয়সি অভিযুক্ত যুবক পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছিল। সেই কোচিং সেন্টারেই পড়তেন ২৩ বছরের ওই তরুণী। কিন্তু ২০২৪ সালের মে মাসে ওই তরুণীর পরিবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে যে, ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁদের মেয়ের উপর একাধিকবার যৌন নির্যাতন করেছে ওই যুবক। এরপরেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৫০৬ ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। (আরও পড়ুন: 'অনিয়ম হয়েছে', সরকারি ক🐈র্মীদের মাথায় হাত, কড়া পদক্ষেপ, জারি হল বিজ্ঞপ্তি)
আরও পড়ুন: 'স্বামী ইন্টারেস্ট পাবে কেন?🐻' সিঁদুꦑর-মঙ্গলসূত্র না পরায় মহিলাকে প্রশ্ন বিচারকের
গত বছর ৩ অক্টোবর আগরার দায়রা আদালতের বিচারক বিবেক সাঙ্গাল অভিযুক্ত যুবকের জামিনের আবেদ𒁏ন খারিজ করে দেন। এরপরেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিযুক্ত। ﷺহাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ করে যে অভিযুক্ত যুবক উত্তরপ্রদেশ পুলিশে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে করতে বাধ্য করেছিল। অভিযুক্ত ওই তরুণীকে ধর্ষণ এবং তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে ৯ লক্ষ টাকা আদায় করেছিলেন।হাইকোর্টের রায়ের পর অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী নীরজ পাঠক বলেন, 'আদালতের দেওয়া শর্তাবলী আমার মক্কেল মেনে চলবেন।
আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের লিভ-ইন সম্পর্কে ধর্ষণে🐎র অভিযোগ করা যাবে না? যা বলল সুপ্রিম কোর্ট
গত বছরের অক্টোবরেও উত্তরপ্রদেশে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। জামিনের শর্ত হিসাবে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণন পহল জানিয়েছিলেন, তিন মাসের মধ্যে নির্যাতিতাকে বিয়ে করবেন অভিযুক্তꦿ এবং সদ্যোজাতের দায়িত্বও নেবেন। একই সঙ্গে জামিনে মুক্তির ছ’মাসের মধ্যে সদ্যোজাতের নামে ব্যাঙ্কে ২ লক্ষ টাকার একটি স্থায়ী আমানত খুলতে হবে। সেই সময় এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির মন্তব্য ছিল, 'কোন ঘটনাটি প্রকৃত অর্থে নির্যাতন এবং কোন ঘটনাটি সম্মতিতে হয়েছে, তার ফারা𝓰ক করা চ্যালেঞ্জের বিষয়। যাতে কারও প্রতি অবিচার না হয়, তা নিশ্চিত করতে আদালতকে যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি দেখতে হবে।'