চিনে গিয়ে তাদের অর্থনীতি 'সম্প্রসারণের' পরামর্শ দিয়ে এসেছেন মহম্মদ ইউনুস। আর এখন ঢাকায় বসে তিনি অপেক্ষা করছেন আইএমএফ-এর। বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম 'প্রথম আলোর' রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আধিকারিকরা বাংলাদেশে যাচ্ছেন এপ্রিল মাসে। এর আগে আইএমএফ-এর ঋণের কিস্তি পায়নি বাংলাদেশ। আইএমএফ-এর শর্ত পূরণ হয়েছে কি না, তা এপ্রিলে খতিয়ে দেখা হবে। এই আবহে জুন মাসে দুই কিস্তির ঋণ পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। তবে এই দফাতেও যদি বাংলাদেশ আইএমএফ-এর শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে হয়ত তারা আর কোনও কিস্তিতেই ঋণ পাবে না। (আরও পড়ুন: উত্তরপূর্ব ভারত ন💦িয়ে উস্কানি দিতে 'চিনকে ডাকলেন' ইউনুস, পালটা তোপ মুখ্যমন্ত্রীর)
আরও পড়ুন: 'জাপান ৭০০%, ভারত ১০০%...', শুল্ক ঘিরে জল্𒁏পনার মাঝে মুখ খুলল হোয়াইট হাউজ
রিপোর্ট অনুযায়ী, আইএমএফ-কে সন্তুষ্ট করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হতে পারে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আইএমএফ-এর ঋণ পেতে ভর্তুকি কমাতে হতে পারে, বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হতে পারে, মুদ্রা বিনিময় হার বাজারের উপর ছেড়ে দিতে হতে পারে বাংলাদেশকে। এই সব পদক্ষেপে বাংলদেশের আম জনতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে ইউনুস ক্ষমতায় আসায় অনেক বাংলাদেশি মনে করেছিলেন, নোবেলজয়ী (শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন) অর্থনীতিবিদ সরকারের হাল ধরায় দেশের উন্নতি ঘটবে। তবে বাংলাদেশি অর্থনীতি এখন সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। (আরও পড়ুন: 'পার্বত্য চট্টগ্রাম তো ভারতে𒁏র অংশ হতে চায়', উঠল বাংলাদেশ ভাগে🌄র ডাক)
আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে ধর্মীয় যাত্রায়ꦰ মহিলা ভক্তদের ওপর পাথর ছোড়ার অভিযোগ, ছ🌄ড়াল উত্তেজনা
এদিকে সম্প্রতি উত্তরপূর্ব ভারত নিয়ে সম্প্রতি হুঁশিয়ারির সুরে মন্তব্য করেছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার꧅ের প্রধান উপদ༒েষ্টা মহম্মদ ইউনুস। যা নিয়ে ভারতের বহু নেতা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউনুসেক। রিপোর্ট অনুযায়ী, চিন সফরে উত্তরপূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ইউনুস। তিনি নাকি বলেছিলেন, 'উত্তর-পূর্বে ভারতের সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত অঞ্চল। তাদের সমুদ্রে পৌঁছনোর কোনও উপায় নেই। এই অঞ্চলে আমরাই সমুদ্রের দেখভাল করি। এটি একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। এটি চিনা অর্থনীতির একটি সম্প্রসারণ হতে পারে।' চিনের অর্থনীতি নিয়ে 'উদ্বিগ্ন' ইউনুস এখন নিজের দেশের জন্যে কী করতে পারেন, সেদিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশবাসী।