যাঁদের কাজ মূলত আগুন নেভানো, অথবা কোনও বিপর্যয় সৃষ্টি হলে আপতকালীন পরিস্থিতিতে আক্রান্তদের উদ্ধারকা🌠জে নামা, সেই তাঁরাই - অর্থাৎ - দমকলকর্মীরাই কিনা সাহায্য করলেন চিকিৎসায়! তাও আবার এক আজব ঘটনার প্রেক্ষিতে! তাঁদের সহযোগিতাতেই ৪৬ বছরের এক ব্যক্তির যৌনাঙ্গে আটকে থাকা প্রায় দেড় ইঞ্চির একটি ধাতব নাট কেটে বের করে আনলেন চিকিৎসকরা! ব্যতিক্রমী এই ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার কাসারাগোড জেলার কানহানগড় এলাকায়।
এই ঘটনার সূত্রপাত হয় গত মঙ্গলবার (২৫ মার্চ, ২০২৫)। ওই দিন এক ব্যক্তি নিজের চিকিৎসা করানোর জন্য স্থানীয় জেলা হাসপাতালে পৌঁছে যান। এবং তিনি চিকিৎসকদের কাছে দাবি করেন, তি🐎নি যখন মদ্যপ ও বেহুঁশ ছিলেন, সেই সময়েই নাকি অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি 🧔তাঁর গোপনাঙ্গে ধাতব নাট ঢুকিয়ে তা আটকে দিয়েছে!
তিনি আরও জানান, ওই অনভিপ্রেত ঘটনার পর থেকে টানা দু'দিন🦩 ধরে তিনি নিজেই বহুবার ওই ধাতব নাট বের করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, প্রত্যেকবারই ব্যর্থ হয়েছেন। অথচ, এই দু'দিন ধরে তিনি প্রস্রাব করতে পারছেন না! এবং এই ঘটনার ফলে তাঁকে অসহনীয় যন্ত্রণাও ভোগ করে যেতে হচ্ছে। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই হাসপাতালে এসেছেন তিনি। যাতে চিকিৎসকরা তাঁকে সাহায্য করেন এবং এই যন্ত্রণার হাতে থেকে তাঁকে মুক্তি দেন! তাঁর এই অবস্থা দেখে চিকিৎসকরা হতভম্ব খেয়ে যান। যদিও তাঁরা দ্রুত চিকিৎসাও শুরু করেন।
কিন্তু, প্রাথমিকভাবে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরাও ওই ব্যক্তির যৌনাঙ্গ থেকে ওই ধাতব নাটটি বের করতে পারেননি। এরপর হাসপাতালের পক্ষ থেকেই স্থানীয় দমকলবাহিনীর কাছে সাহায্য চাওয়া হয়। যাতে এই কাজ করার জন্য দমকলের তরফে থেকে একটি প্রশিক্ষিত প্রতিনিধিদল হাসপাꦫতালে পাঠানো হয়! যারা অতি সাবধানে ওই ধাতব নাটটি কেটে ফেলতে পারবে!
টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসা♛রে - এরপর ফায়ার অফিসার কে এম শিজুর নেতৃত্বে, প্রায় একঘণ্টার চেষ্টায় মেটা💝ল কাটার ব্যবহার করে ওই ব্যক্তির যৌনাঙ্গ থেকে ওই ধাতব নাট বের করে আনা হয়! চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে এই কাজ করেন স্থানীয় দমকলকর্মীরাই।
তথ্য বলছে, মেটাল কাটার ব্যবহার করার সময় প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন হয়। এর ফলে যেকোনও মানুষের চামড়া পুড়ে যেতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে যাতে সেই ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে মেটাল কাটার ব্যবহার করার সময় সমানে সংশ্লিষ্ট জায়গায় জল ঢালতে 💜থাকেন বাকি দমকলকর্মীরা। যাতে𒉰 সেই জায়গা শীতল থাকে।