সমুদ্রের গভীরে বা তলদেশ থেকে যদি খনিজ সম্পদ উত্তোলনের কাজ শুরু করা হয়, তাহলে সা𒐪মুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। যার ভয়াবহ প্রভাব মানবজাতিও এড়াতে পারবে না। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা স൲তর্ক করতে শুরু করেছেন। বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনও চলছে।
এই প্রেক্ষাপটেও ভারত♏ের আওতাধীন সামুদ্রিক এলাকায় - কেরালা, গুজরাট এবং আন্দামান ও নিকোবরের উপকূলীয় অঞ্চল বরাবর দূরবর্তী গভীর জলভাগ থেকে সামুদ্রিক খনিজ উত্তোলনের জন্য খননকাজ শুরু করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকী, এই মর্মে টেন্ডারও ডাকা হয়ে গিয়েছে। এবার এই বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন তিনি। দাবি করলেন, অবিলম্বে এই টেন্ডার বাতিল করা হোক।
ঘটনা হল, উ🐠পকূলে🗹 বসবাসকারী আমজনতাও এই খননকাজ শুরু করার পক্ষপাতী নয়। তাদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্য়েই এর প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। চিঠিতে সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, পরিবেশে এর কতটা ভয়াবহ প্রভাব পড়তে চলেছে, সেই সম্পর্কে সঠিক পরিমাপ না করেই টেন্ডার ডাকা হয়েছে।
রাহুল তাঁর চিঠিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘কেরালা, গুজরাট এবং আন্দামান ও নিকোবরের সমুদ্র বꦰরাবর সামুদ্রিক খনিজ উত্তোলনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সমুদ্র উপকূলের বাসিন্দারা ইতিমধ্যেই এর প্রতিবাদ করছেন। কারণ, পরিবেশের উপর এর প্রভাব কতটা হতে পারে, তার সঠিক পরিমাপ না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবী এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে আগামী দিনে তাঁদের রুজিরুজি হারাতে হবে। এবং𝓀 তাঁদের জীবনযাপন প্রভাবিত হবে।’
এই প্রসঙ্গে ২০২৩ সালের সংশোধিত গভীর সামুদ্রিক অঞ্চলে খনন সংক্রান্ত আইনের বিষয়টিও উল্লেখ করেন রাহুল। মনে করিয়ে দেন, এই আইন কী প্রবল বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল। কারণ, এই ধরনের আইন প্রয়োগ করা হলে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র একেবারে বিপর্যস𝄹্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকী এর জেরে সমুদ্রগর্ভের অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রবাল প্রাচীর ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। চিরকালের মতো হারিয়ে যেতে পারে নানা প্রজাতির মাছ-সহ অসংখ্য়া চেনা-অচেনা সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদ!
অন্যদিকে, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নানা সমস্যা নিয়ে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্য়াণ মন্ত্রী অনুপমা দেবীকেও আলাদা করে একটি চিঠি দিয়েছেন রাহুল। তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি সর্বভারতীয় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। সেই আলোচনাতেই তিনি অঙ্🌼গনওয়াড়ি কর্মীদের অসুবিধাগুলি সম্পর্কে অবহিত হন। কেন্দ্রীয় সরক꧙ার যাতে তাঁদের সেই সমস্য়াগুলি সমাধানে উদ্যোগী হয়, সেই আবেদন করেন রাহুল।