শেষ পর্যন্ꦕত ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল লেখক সলমন রুশদিকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সংজ্ঞা ফিরে আসার পর রুশদি খানিকটা কথাবার্তা বলেছেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানের আগে হামলা করা হয় বিশিষ্ট লেখক সলমন রুশদির উপর। মাত্র ২০ সেকেন্ডের মধ্যে ছুরি দিয়ে তাঁর শরীরের ১০ থেকে ১৫ বার আক্রমণ করে। মঞ্চেই লুটিয়ে পড়েন লেখক। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে শুরু হয় চিকিৎসা।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই লেখকের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানিয়ে তাঁর এজেন্ট গতকাল আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল⛄েন যে লেখক একটি চোখ হারাতে পারেন। তবে সেই সম্পর্কে এখনও হাসপাতালের তরফে কিছু জানানো হয়নি। জানা গিয়েছে, সলমনের ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল। এই আবহে কয়েক ঘন্টা অস্ত্রোপচারের পর রুশদিকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল। তবে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ায় ভেন্টিলেশন থেকে বের করে নেওয়া হয় তাঁকে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে বাড়িতে উত্তোলন করবেন জাতীয় পতাকা? জানুন কী ক🔯রা যাবে,কী যাবে ন♔া
রিপ🤪োর্ট অনুযায়ী, পশ্চিম নিউ ইয়র্কের একটি কাউন্টিতে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল রুশদির। পরিচিতি দেওয়ার সময় এক ব্যক্তি মঞ্চে উঠে পড়েন। এরপরই লেখককে ঘুষি মেরে তাঁকে ছুরি দিয়ে কোপানো হতে থাকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৫ বার সলমনের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে হামলাকারী। এর জেরে মুখ থেকে শুরু করে সলমনের পেটের বিভিন্ন অংশে ক্ষত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সাল থেকে ইরানে নিষিদ্ধ আছে রুশদির লেখা 'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস💃'। একাধিক মুসলিম সংগঠনের দাবি, ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেন সলমন। পরে ১৯৮৯ সালে ইরানের নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেই 💦'ফতোয়া' জারি করেছিল। রুশদিকে হত্যার ডাক দিয়েছিল। খামেনেই বলেছিল, যে সলমনকে হত্যা করবে তাঁকে তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হবে। পরে সেই পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়েছিল ২০১২ সালে। এই আবহে অভিযুক্তের প্রশংসা শুরু হয়েছে ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।