স্ত্রীকে খুন করে সুটকে💜সে দেহ ভরে বাড়ি থেকে পালানোর অভিযোগ উঠেছে বেঙ্গালুরুর এক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর বিরুদ্ধে। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। শ্বশুর-শাশুড়িকে ফোন করে খুনের কথা নাকি স্বীকারও করে নেয় অভিযুক্ত। অবশেষে পুণে থেকে গ্রেফতার করা হয় মৃতার স্বামীকে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাকেশ রাজেন্দ্র খেদেকার এবং অনিল সাম্বেকর মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। বছর দুয়েক আগে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল। সম্প্রতি কাজের সূত্রে স্ত্রীকে নিয়ে বেঙ্গালুরু চলে আসেন রাকেশ। সেখানে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। রাকেশ একটি নামী এসি সংস্থার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর পদে কাজ করেন। তাঁর স্ত্রী গৌরীও মহারাষ্ট্রে চাকরি করতেন। কিন্তু রাকেশ বদলি হওয়ায় সেই চাকরি ছেড়ে তাঁর সঙ্গে বেঙ💜্গালুরুতে চলে আসেন গৌরী। বেঙ্গালুরুতে এসে চাকরির জন্য বিভিন্ন জায়গায় আবেদনও করছিলেন। কিন্তু তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পꦚাচ্ছিলেন না।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর চাকরি না হওয়ায় তাঁকে নানা রকম কথা শোনানো শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। তাঁর চাকরি ছাড়ার জন্য এবং বেঙ্গালুরুতে এসে কাজ না পাওয়ার জন্য রাকেশেই গৌরী দোষারোপ করতেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। ২৬ মার্চ রাতে বিষয়টি নিয়ে অশান্তি চরমে পৌঁছোয়। রাকেশ মেজাজ হারিয়ে ফেলেন এবং গৌরীকে চড় মারেন বলে অভিযোগ। রাকেশের দাবি, রান্নাঘর থেকে ছুরি এনে তাঁকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন। সেই ছুরি দিয়েই স্ত্রীকে রাকেশ গলার নলিও কেটে দেয় বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এরপর স্ত্রীর দেহের পাশে সারারাত বসে থাকেন রাকেশ। তাঁর লাশের সঙ্গে কথা বলেন।তারপর স্ত্রীর দেহ নিয়ে বিপাকে পড়ে রাকেশ। ২৭ মার্চ সকালে গৌরীর দেহ একটি সুটকেসে ভরেন। সেটিকে বাথরুমে রাখেন। দুপুর সওয়া ১২টায় গাড়ি নিয়ে পুণেতে পালিয়ে যান রাকেশ। এদিকে, ওইদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ পূর্ব) সারা ফতিমার কাছে খবর পান দম্পতির বাড়িতে সম্ভবত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তদন্তকারীরা দেখেন, দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন। পুলিশ কারও ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়নি। তবে শৌচালয়ে একটি স্যুটকেস দেখতে পাওয়া যায়। সেটি খুলে দেখে তাজ্জব পুলিশ। ওই স্যুটকেস খুলতেই বেরিয়ে আসে গৌরীর দেহ।এরপর শুরু হয় তাঁর স্বামী রাকেশের খো🎃ঁজ।