পাকিস্তানের দুরবস্থার শেষ নেই। নিউজিল্যান্ডে খেলতে গিয়েও ল্যাজেগোবরে হচ্ছে। টি-টোয়েন্টির এবার তারা কিউয়িদের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজও হেরে বসল๊। বুধবার হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচেও হেরে যায় পাকিস্তান। পরপর দু'ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া করেন বাবর আজমরা। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতার জেরে এদিন পাক ব্রিগেড ৮৪ রানে হারে।
নেপিয়ারে প্রথম ম্যাচে জয়ের পর কিউয়িরা বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। এদিনও তারা তাদের আধিপত্য বজায় রেখেই জয় ছিনিয়ে নেয়। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নির্দিষ্ট ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯২ রান করে। সেই রান ত꧂াড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৪১.২ ওভারে ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।
‘পাকিস্তান খুব শীঘ্রই অ্যাসোসিয়েট টিম হয়ে যাবে’
পাক ব্রিগেডের লজ্জাজনক হারের পর সꦺোশ্যাল মিডিয়ায় নিষ্ঠুর ভাবে ট্রোলড হয় পাকিস্তান ক্রিকেট টিম। নেটিজেনরা এও দাবি করেছেন যে, মেন ইন গ্রিন একটি দুর্বল নিউজিল্যান্ড দলকেও হারাতে পারেনি। আসলে কিউয়িদের প্রধান প্লেয়াররাই ছিলেন না দলে। কেন উইলিয়ামসন, মিচেল স্যান্টনার, রাচিন রবীন্দ্র, ডেভন কনওয়ে, লকি ফার্গুসন, গ্লেন ফিলিপস, ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসন, টম লাথাম, উইল ইয়ং, ইশ সোধি- কেউই ছিলেন না দলে। দ্বিতীয় সারির দল খেলিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তার পরেও হারতে হয়েছে পাকিস্তানকে। নেটিজেনরা তো বলতেও শুরু করেছেন, ‘পাকিস্তান খুব শীঘ্রই অ্যাসোসিয়েটেড টিম হয়ে যাবে।’ পাকিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে ক্রিকেট ভক্তরা ক্ষুব্ধ। অনেকে আবার হাসাহাসি করছেন।
লজ্জার হার বাবরদের
টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ড শুরুর দিকে একটু নড়বড় করলেও, মিচেল হে-র হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ান কিউয়িরা। নিউজিল্যান্ড কিন্তু নির্দিষ্ট ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছে। তবে দলের উইকেটকিপার ব্যাটা🔥র মিচেল হে-র ৭৮ বলে ৯৯ রানে অপরাজিত ইনিংসটি কিউয়িদের পায়ের তলার জমি শক্ত করে। সাতটি করে চার এবং ছয় মেরেছেন মিচেল হে। এছাড়াও মহম্মদ আব্বাস ৬৬ বলে ৪১ রান করেছেন। ২৩ বলে ৩১ করেছেন ওপেনার নিক কেলি। নির্দিষ্ট ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯২ তোলে নিউজিল্যান্ড।
রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তান। নিউজিল্যান্ডের তিন পেসারের আক্রমণে কেঁপে যায় পাক ব্যাটিং অর্ডার। প্রথম পাঁচ ব্যাটার তো এক অঙ্কের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। 🦹একটা সময়ে ৬৫ রানে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের। সাতে নেমে ফাহিম আশরফ কিছুটা ভরসা দিয়েছিলেন। ৩টি ছক্কা এবং ৬টি চারের হাত ধরে ৮০ বলে ৭৩ রান করেন ফাহিম। এদিকে দশে নেমে নাসিম শাহ ৪৪ বলে ৫১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। তবু শেষ রক্ষা করতে পারেননি নাসিমℱ। তাঁর সৌজন্যে পাকিস্তান দু'শো রানের গণ্ডি পার করলেও, ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। ৮৪ রানে হারে পাকিস্তান।