পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে ক্রমেই চড়ছে সংঘাতের পারদ। কিছুদিন আগেই, আফগানিস্তানের পূর্ব প্রান্তে এয়ারস্ট্রাইক চালায় পাকিস্তান। পাল্টা ছেড়ে কথা বলেনি আফগান-তালিবানরা। এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, পাক সীমান্তের দিকে পাক তালিবানরা এগোতে থাকে। পরে আফগানিস্তানের তরফেও হামলার খবর আসে। জানা যায়, পাকিস্তানের বিভিন্ন ছাউনি টার্গেট করে হামলা করেছে আফগ💛ান তালিবান ফোর্স। এদিকে, জানা যাচ্ছে, নতুন করে সীমান্ত সংঘাতের জেরে, আফগান প্রান্তে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৩ জন। এঁরা সাধারণ নাগরিক বলেই খবর।
জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইকের পর থেকে🐈ই আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সীমান্তে উত্তেজনা চড়ছে। আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রভিন্সে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালিবান গোষ্ঠীর ক্যাম্প টার্গেট করে হামলা চালায় পাকিস্তান। আফগানিস্তানের জঙ্গিদের ব্যর্থ অনুপ্রবেশের জবাবে পাকিস্তান এই হামলা সেবার চালিয়েছে বলে ইসলামাবাদের দাবি। পাকিস্তান বলছে, শুক্রবার সীমানা পার করে আফগান মুলুক থেকে জঙ্গিরা প্রবেশের চেষ্টা করেছে। তাদের হঠাতেই পাকিস্তানি সেনা গুলির যুদ্ধ শুরু করে বলে খবর। দাবি করা হচ্ছে, এই জঙ্গিরা পরের দিনই আফগানিস্তানের সেনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাকিস্তানের সীমান্তের একে♎র পর এক ছাউনিতে হামলা করতে থাকে। জানা যায়, পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের ঘোজগারহি, মাথা সাংগার, কোট রাঘার মতো ছাউনি টার্গেট করে আফগানিস্তান। পাকিস্তান ফোর্স এর পাল্টা জাবাব দেয়। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি, আফগানিস্তানের হামলায় পাকিস্তান প্যাামিলিটারি ফোর্সের ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১১ জন আহত। আফগানিস্তানের তরফে ভারী ও হালকা দুই ধরনের অস্ত্রই ব্যবহার করা হয়েছে। সূত্রের দাবি দুই পক্ষের গুলির লড়াইতে আফগানিস্তানেরও একাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, তেহরিক-ই-তালিবানের জঙ্গিদের মদত দেওয়া নিয়ে আফগানিস্তানকে বহুবারই সতর্ক করেছে পাকিস্তান। তারা বহু মাস ধরে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাচ্ছে বলে খবর। যা ইসলামাবাদ ভালোভাবে নেয়নি। আর সেকথাই তারা কাবুলকে জানায়। ফলে এককালে সদ্ভাবের সম্পর্কে থাকা পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব উর্ধ্বসীমা নেয়। এই জঙ্গি শিবির ইস্যুতে আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তান কূটনৈতিক রাস্তাতেও কথা বলেছিল, তবে ইসলামাবাদ দাবি করছে, তাতে লাভের লাভ হয়নি। এরপরই কূটনৈতিক আলোচনা যখন পথ পায়না, তখনই পাকতিকা অঞ্চলে পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইক শুরু হয়। তাতে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খ🐼বর। এদিকে দুইপক্ষের সংঘাতে এশিয়ার পারদ চড়ছে। একদিকে, তেহরিক-ই-তালিবানের জঙ্গিদের নিয়ে কাবুলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান, অন্যদিকে, আফগানিস্তানের দাবি, নিরীহ নাগরিকদের টার্গেট করে হামলা করছে পাকিস্তান। এই অবস্থা থেকে পরিস্থিতি কোনদিকে যায়, সেদিকে তাকিয়ে দিল্লিও।