সদ্য ভারত সফরে এসে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ ‘ন্যাশনাল ইন্টালিজেন্স’র ডিরেক্টর তুলসী গ্যাবার্ড বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি মন্তব্য করেন। তুলসী বলেছিলেন,' ইসꦇলামিক সন্ত্রাসবাদীদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভাবধারা এবং লক্ষ্য একই, ইসলামিক খলিফার নীতি এবং শাসন চালু করা।' এই মন্তব্যের পরই পাল্টা প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ। মার্কিন স্পাই চিফ তুলসীর মন্তব্যের পর ঢাকার বক্তব্য আসতেই সদ্য ওয়াশিংটন নিজ🌄ের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
খলিফা নীতি নিয়ে তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের পর কৌশলী ওয়াশিংটন জানিয়েছে,' আমরা যেকোনও দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি পরিচালিত যেকোনও সহিংসতা বা অসহিষ্ণুতার নিন্দা জানাই।' এরপরই মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন,' বাংলাদেশের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলিকে স্বাগত জানাই। আমরা এটাই দেখছি। এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এবং এটাই অব্যাহত থাকবে।' উল্লেখ্য, এর আগে তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ। ওই মন্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকারক বলে উল্লেখ করে🐈 ইউনুস সরকার। ঢাকা জানিয়েছিল, তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য,' বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর'। বাংলাদেশের তরফে তুলসীর ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলাম চর্চার জন্য সুপরিচিত এবং চরমপন্থা ♛ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।’ বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল,' গ্যাবার্ডের মন্তব্য সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ বা অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে করা হয়নি।'
এর আগে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রধা তুলসী গ্যাবার্ডের কণ্ঠে উঠে এসেছিল বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার নিয়ে উদ্বেগ। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলসী গ্যাবার্ড বলেছিলেন,' বাংলাদেশে দীর্ঘ দিন ধরে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ক্যাথলিক-সহ অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্ভাগ্যজনক নির্যাতন, হত্যা, হেনস্থা আমেরিকা সরকার, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।' সদ্য সোমবারই তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত🎃্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপরই ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘ইসলামিক খলিফার নীতি’ প্রসঙ্গে একটি মন্তব্য করেন তুলসী গ্যাবার্ড। যা পর ঢাকা সরব হতে💧ই আসে ওয়াশিংটনের বার্তা।