আজ শনিবার কাঁথি কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন ছিল। যাকে ঘিরে দিনভর চরম তপ্ত ছিল কাঁথি থেকে রামগড়। শাসক–বিরোধী🙈 দলের সংঘর্ষ থেকে শুরু করে বিধায়ক অখিল গিরির আক্রান্ত হওয়া নিয়ে তেতে ওঠে পূর্ব মেদিনীপুর। বিজেপিকে দেখা যায় মারমুখী মেজাজে। কিন্তু এত কিছুর পর দিনের শেষে ফলাফল কী? আজ বিকেলে এই সমবায় ব্যাঙ্কের ৭৮টি আসনের প্রত্যেকটিতেই জয়লাভ করল তৃণমূল কংগ্রেস। নিজের গড়েই শূন্যতা দেখল বিজেপি। কাঁথি হচ্ছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড়। সেখানেই এমন ধরাশায়ী অবস্থা এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।
আজ কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে জিততে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস–বিজেপি। একে অপরকে হুমকি দেওয়া থেকে শুরু করে শাসকদলের ভোটারদের কাছ থেকে স্লিপ কেড়ে নেওয়ার ঘটন💦া পর্যন্ত ঘটেছে বলে অভিযোগ। তবে এই নির্বাচনে বিশাল পুলি🎉শ বাহিনী নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল। মোট ৭৮টি আসনের মধ্যে ৬৫টি আসনে নির্বাচন হয়। আর বাকি আসনগুলিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই জয় বাড়তি উদ্যম দেবে বলে মনে করছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের সঙ্গে মেঝেতে বসে মিড–ডে মিল খেলেন মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, আর কী করলেন?
আজ কাঁথি জাতীয় বিদ্যালয়ের সামনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ছিল। সেখানে বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তখন সেখানে পৌঁছন কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি। তারপর তুমুল বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিজেপি কর্মীরা যেমন আক্রমণ করেছেন তেমন পাল্টা আক্রমণেই জবাব দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই তপ্ত আবহে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অখিল গিরি অভিযোগ করেন, তাঁকে ডিএসপি ধাক্কা দেওয়ায় 🗹তিনি পড়ে যান এবং হাতেꦜ আর কোমরে চোট পান।
বিজেপি কর্মীদের দেখা যায় পুলিশের উপর আক্রমণ করতে। এই সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। যা কার্যত খারিজ করে দেন বিচারপতি। তবে বিজেপি যেভাবে মারমুখী মেজাজে এগিয়ে এসেছিল তাতে মনে হয়েছিল তারা কিছু একটা করবে সেখানে এমন ফলাফল কার্যত বেমানান। কারণ বিজ🐼েপি খাতাই খুলতে পারেনি। যা বিরোধী দলনেতার গড়ের লজ্জা। যদিও এই নিয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। মার্চ মাসের শেষে গরমের মধ্যেও সবুজ আবিরে ঢেকে গেল কাঁথির আকাশ থেকে রাজপথ।