🌊 জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার শুরুটা ভালো হল পড়ুয়াদের। কারণ মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র খুবই সহজ এসেছে বলে জানালেন শিক্ষকরা। কলকাতার পাঠভবন স্কুলের বাংলার শিক্ষক ডক্টর সপ্তর্ষি রায় জানিয়েছেন, সার্বিকভাবে খুব সহজ প্রশ্ন হয়েছে। ছোট প্রশ্ন, বড় প্রশ্ন, বঙ্গানুবাদ বা রচনা- সবই একেবারে ‘কমন’ এসেছে। যারা টেস্ট পেপার ধরে প্র্যাকটিস করেছে, তাদের কোনও সমস্যাই হবে না। ছোট করে বলতে গেলে একেবারেই চেনা প্রশ্ন এসেছে। অজানা কোনও প্রশ্ন বা ঘুরিয়ে কোনও প্রশ্ন করা হয়নি। সাধারণ মানের পড়ুয়াদের কথায় মাথায় রেখে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে এরকম প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে বাংলায় ভালো নম্বর উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন পাঠভবন স্কুলের বাংলার শিক্ষক।
🔯প্রথম দিনের পরীক্ষার শেষে ‘হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা’-র তরফে যোগাযোগ করা হলে পাঠভবন স্কুলের বাংলার শিক্ষক বলেছেন, ‘ছোট প্রশ্ন খুব সহজ এসেছে। যে বঙ্গানুবাদ দেওয়া হয়েছে, সেটাও একেবারে সহজ হয়েছে। পাঁচ নম্বরের যে প্রশ্ন এসেছে, সেগুলিও পরিচিত প্রশ্ন। চেনা বৃত্ত থেকেই প্রশ্ন করা হয়েছে। যে ছাত্র-ছাত্রীরা এবিটিএ বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের টেস্ট পেপার ধরে প্র্যাকটিস করেছে এবং টেস্ট পেপার সলভ করেছে, তাদের জন্য এবারের প্রশ্ন একেবারেই সহজ হয়েছে। তাদের কোনও সমস্যা হবে না।’
আর রচনা কেমন এসেছে?
♊মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষায় ৪০০ শব্দের একটি প্রবন্ধ লিখতে হয়। তাতে ১০ নম্বর থাকে। চারটির মধ্যে থেকে একটি বিষয়ে বেছে নিতে হয় পড়ুয়াদের। এবার যেমন ‘চরিত্র গঠনে খেলাধুলোর ভূমিকা’, ‘সময়ের মূল্য,’ ‘বনসংরক্ষণ’ এবং ‘দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান’-র মধ্যে থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোনও একটি বিষয়ের উপরে রচনা লিখতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: 🐬Madhyamik exam 2025: এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬২ হাজার বাড়ল, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি?
🍒সেই রচনার টপিক প্রসঙ্গে পাঠভবন স্কুলের বাংলার শিক্ষক বলেছেন, ‘রচনা একেবারে সহজ এসেছে। চারটি যে বিকল্প থাকে, তার মধ্যে একটা হল দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান। যে বিষয়টা একেবারেই কমন। অনেক দিন থেকেই এরকম বিষয়ের রচনা আসে। ফলে পড়ুয়াদের রচনা লিখতে কোনও অসুবিধা হবে না।’ সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বাকি তিনটি বিষয়ও কঠিন নয়। ওগুলিও চেনা বৃত্তের মধ্যে ছিল।
আরও পড়ুন: 🐎Madhyamik Exam Special Bus: স্পেশাল বাস চলবে মাধ্যমিক পরীক্ষায়, টেনশন হবে না!
পড়ুয়ারা কী বলছে? কেমন হল পরীক্ষা?
🎃মাধ্যমিকের প্রথম দিনের পরীক্ষা নিয়ে স্বভাবতই পড়ুয়াদের মধ্যে টেনশন ছিল। আর প্রথম দিনের পরীক্ষায় যা প্রশ্ন হয়েছে, তাতে খুশি পড়ুয়ারা। পরের পরীক্ষাগুলির জন্য বেড়েছে আত্মবিশ্বাসও। তেমনই একজন হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নঙ্গী হাইস্কুলের ছাত্র ঈশান হাজরা। সে বলেছে, ‘প্রথম দিনের পরীক্ষা ভালো হয়েছে। প্রশ্ন সব সহজ এসেছে। রচনাও সহজ এসেছে।’