🐻 মহিলাদের উদ্দেশে 'কটূক্তি' করার জন্য দল কি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে? দিলীপ ঘোষকে নিয়ে যখন এই প্রশ্নই ঘুরে ফিরে আসছে বঙ্গ রাজনীতিতে, ঠিক সেই মুহূর্তে দিলীপের পাশে থাকার বার্তা দিলেন বর্তমানে তাঁর দলীয় সতীর্থ তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী!
♚অনলাইন বাংলা পোর্টাল 'দ্য ওয়াল'-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, শুক্রবার খড়গপুরে দিলীপের সঙ্গে যা ঘটেছে, বা দিলীপ স্থানীয় এক মহিলার কিংবা মহিলাদের প্রতি যে আচরণ করেছেন, তার নেপথ্যে যথাযথ যুক্তি পেশ করেছেন শুভেন্দু। সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু জানিয়েছেন, 'দিলীপ ঘোষকে যেভাবে উত্যক্ত করা হয়েছে, অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলা হয়েছে সেটা ঠিক নয়। উনি তো প্রাক্তন সাংসদ। এমপি ল্যাডের টাকায় রাস্তার কাজ দেখতে যেতে পারবে না? গোটা দল দিলীপ ঘোষের পাশে আছে।'
൲একইসঙ্গে, এই ঘটনায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর প্রশ্ন, 'আজ দিলীপ ঘোষের বাড়িতে লোক পাঠিয়েছে। এটা কী রকম অসভ্যতা? তৃণমূলের কালচার কি লোকের বাড়িতে বাড়িতে লোক পাঠানো?'
♊ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার (২১ মার্চ, ২০২৫)। খড়গপুরে একটি রাস্তা উদ্বোধন করতে গেলে স্থানীয় মহিলাদের একাংশের প্রশ্ন ও ক্ষোভের মুখে পড়েন দিলীপ। এত দিন এলাকায় না এসে, হঠাৎ করে এখন কেন এলেন তিনি, সেই প্রশ্নের মুখে পড়ে মেজাজ হারান দিলীপ ঘোষ। প্রশ্ন তোলা মহিলার 'বাপ-চোদ্দ পুরুষ' তুলে কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠে দিলীপের বিরুদ্ধে।
🌠এমনকী, এর পরদিন - অর্থাৎ আজও (শনিবার - ২২ মার্চ, ২০২৫) এই নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ ঝাঁঝিয়ে ওঠেন। বলেন, 'দিলীপ ঘোষ কাউকে ভয় পায় না। আমি আর আমার অনুগামীরাই যথেষ্ট! প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেব, কিন্তু মেজাজ নয়।'
💟আর, এর প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি এমন আচরণের জন্য দল দিলীপের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে? সেই আবহে খাতায়-কলমে বিজেপিতে দিলীপের 'বিরুদ্ধ গোষ্ঠী'র লোক হিসাবে পরিচিত শুভেন্দু যেভাবে দিলীপের পাশে দাঁড়ালেন, তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
🌃প্রসঙ্গত, দলের অন্দরে দিলীপ ও শুভেন্দুর দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা লোকে নানা কথা বললেও তাঁরা সামনা-সামনি কোনও দিন কোনও কাজিয়ায় জড়াননি। সূত্রের দাবি, সম্প্রতি নাকি তাঁরা একবার একসঙ্গে মধ্য়াহ্নভোজও সেরেছিলেন! যদিও সংবাদমাধ্যমেরই একাংশের আবার দাবি হল, শুভেন্দুর 'চ্যাংদোলা' মন্তব্য নাকি দিলীপ ঘোষ সমর্থন করেননি।