সুপ্রিম কোর্টের ন👍♔ির্দেশে এক ধাক্কায় চাকরি গেল ২৫ হাজার ৭৫২ জনের। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পরেই বিধাননগরে বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। অবিলম্বে নিয়োগের দাবি জানিয়ে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে বাঁধে। প্রার্থীদের টেনে হিঁচড়ে বিকাশ ভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: চাকরি বাতিল, সুপ্রিম রায়ের পরেই শিক্ষা দফতরকে🦹 নিয়ে বৈঠকে বসছেন মমতা
এদিন সকালে সুপ্রিম কোর্ট রায় ঘোষণা করে জানায়, যোগ্য অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব নয়। সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারচুপি হয়েছে, ꩵকোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এরপরেই ২০১৬ সালের এসএসসির নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয় শীর্ষ আদালত। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের সেই রায়ের পরেই ২০২২ সালের প্রাথমিক টেট পাশ এবং ডিএলএড ঐক্যমঞ্চের তরফে বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। এদিন মঞ্চের বিকাশ ভবন অভিযানকে কেন্দ্র করে সেখানে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিকাশ ভবনের সামনে পৌঁছতেই তাঁদের আটকায় পুলিশ। তখনই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন প্রার্থীরা। ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। তখনই তাঁদের বলপূর্বক সেখান থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।
প্রার্থীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের তরফে বলা হচ্ছে প্রচুর চাকরি আছে। কিন্তু, সেই পদগুলির মধ্যে প্রাইমারির চাকরি কতগুলি রয়েছে? তা পরিষ্কার করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। সেইমতো পরীক্ষার ফল প্রকাশও হয়। কিন্তু, সেই প্যানেল থেকে কোনও নিয়োগ করা হয়নি। আইনি জটিলতার কারণে সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে। ফলে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে বলে এদিন দাবি জানান প্রার্থীরা। এদিকে, এদিন সুপ্রিম কোর্ট চাকরি বাতিল করার পর তিনমাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছে𝓰। রায়ে বলা হয়েছে, যোগ্যরা অর্থাৎ দুর্নী😼তির তালিকায় যাদের নাম নেই তাঁরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বয়সেও ছাড় দিতে হবে তাঁদের। তবে দুর্নীতির তালিকায় নাম থাকা প্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।