আধা শক্তির নিউজিল্যান্ড দলের বিরুদ্ধে ꦑ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে তবু ১টি ম্যাচ জিততে সক্ষম হয় পাকিস্তান। তবে পরবর্তী ৩ ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারলেন না মহম্মদ রিজওয়ানরা। শনিবার মাউন্ট মাউনগানুইয়ে সিরিজের তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচেও নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয় পাকিস্তান। ফলে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ান ডে সিরিজ পকেটে পোরে কিউয়িরা।
শনিবার বৃষ্টির জন্য ৫০ ওভারের ম্যাচ কমে দাঁড়ায় ৪২ ওভা👍র প্রতি ইনিংসে। বে ওভালে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। তারা নির্ধারিত ৪২ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ২৬৪ রানের বড়সড় ইনিংস গড়ে তোলে। দাপুটে হাফ-সেঞ্চুরি করেন ওপেনার রিস মারিউ ও ক্যাপ্টেন মাইকেল ব্রেসওয়েল।
ম🐼ারিউ ৬টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ বলে ৫৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ব্রেসওয়েল ১টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৪০ বলে ৫৯ রান করে আউট হন। এছাড়া ডারিল মিচেল ৪৩, হেনরি নিকোলস ৩১, টিম সেফার্ত ২৬ ও মহম্মদ আব্বাস ১১ রান করেন। পাকিস্তানের🍨 হয়ে ৮ ওভারে ৬২ রান খরচ করে ৪টি উইককেট দখল করেন আকিফ জাভেদ। ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন নাসিম শাহ। ১টি করে উইকেট পকেটে পোরেন ফহিম আশরাফ ও সুফিয়ান মুকিম।
ব্যর্থ হয় বাবরের হাফ-সেঞ্চুরি
পালটা ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৪০ ওভারে ২২১ রানে অল-আউট হয়ে যায়। ফলে ৪৩ রানে ম্যাচ হেরে মাঠ 🅘ছাড়ে তারা। দল হারায় জলে যায়ꦉ বাবর আজমের হাফ-সেঞ্চুরি। তিনি ৪টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫৮ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
১২ জনকে ব্যাট করায় পাকিস্তান
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পাকিস্তান এই ম্যাচেও ১২ জনকে ব্যাট করতে নামায়। ইনিংসের ২.৩ ওভারে ও'রোর্কের বলে ১ রান নেওয়ার জন্য দৌড় শুরু করেন পাক ওপেনার ইমাম উল হক। তবে ফিল্ডারের ছোঁড়া বল ঢুকে যায় ইমামের হেলমেটে♔র গ্রিলে। তিনি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। কনকাশন পরিবর্ত হিসেবে পাকিস্তান ব্যাট করতে নামায় উসমান খানক❀ে। ইমাম ৭ বলে ১ রান করেন। উসমান ১৭ বলে ১২ রান করেন।
উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচেও পাকিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নামেন ১২ জন। সেই ম্যাচে হ্যারিস রউফের🐲 জায়গায় ব্যাট করতে নামেন নাসিম শাহ। সুতরাং, পাকিস্তান পরপর ২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১২ জন করে ব্যাটারকে ব্যবহার করে। যদিও ২টি ম্যাচেই 🅘হারতে হয় তাদের।
সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ওয়ান ডে ম্যাচে বাবরের হাফ-সেঞ্চুরি ছাড়া আবদুল্লা শফিক ৩৩, মহম্মদ রিজওয়ান ৩৭, তায়েব তাহির ৩৩, নাসিম শাহ ১৭ ও সলমন আঘা ১১ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৯ ওভারে ৩৪ রান খরচ করে ৫ট🍌ি উইকেট নেন বেন সিয়ার্স। ৪০ রানে ২টি উইকেট নেন জেকব ডাফি। ১টি উইকেট নেন ব্রেসওয়েল। ম্যাচের সেরা হন কিউয়ি দলনায়ক ব্রেসওয়েল। সাকুল্যে ১০টি উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন বেন সিয়ার্স।