༒ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া তামিম ইকবালকে নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কিছুটা কমেছিল সোমবারই। মঙ্গলবার সকালে আগের চেযে আরও ভালো রয়েছেন তামিম। তাঁকে নিয়ে আশঙ্কা ধীরে ধীরে কমছে বলে জানা গিয়েছে।
🔯ইতিমধ্যে তামিম হাঁটা-চলা করছেন অল্প অল্প। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখাও করেছেন। তবে আগামী কয়েক দিন তামিমকে কিছু সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, সোমবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তামিমের অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম করানো হয়। তাঁর হৃদযন্ত্রে ব্লক পাওয়া গিয়েছিল। তাই তামিমের হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: 𓂃ভাগ্য সহায় ছিল না… মোহিতকে স্টাম্প আউট করার সুবর্ণ সুযোগ মিস করে দলকে ডোবানোর পর, অজুহাত পন্তের
ꦚসোমবার সকালে সাভারের বিকেএসপি মাঠে মহমেডানের হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন তামিম। ম্যাচ ছিল শাইনপুকুরের বিরুদ্ধে। শুরুতে সবই ঠিকঠাক ছিল। ঢাকা মহমেডান স্পোর্টিংয়ের অধিনায়ক টস করার সময়েও সুস্থ-স্বাভাবিক ছিলেন। কিছু ক্ষণ পর থেকে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। মাঠ থেকে দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় গাজীপুরের এক হাসপাতালে। হৃদযন্ত্রে ব্লক পাওয়া যাওয়ায় স্টেন্ট বসাতে হয়।
✤মঙ্গলবার তামিমকে দেখতে আসেন স্বাস্থ্য অধি দফতরের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবু জাফর এবং হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। এরপর তামিমের শারীরিক পরিস্থিতির আপডেট দিয়ে আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আজকে সকালে ওঁর ইকো কার্ডিওগ্রাফ করে হার্টের ফাংশন দেখা হচ্ছিল। দেখে মনে হল, কোনও সমস্যাই নেই, একেবারে ফিট। ঝুঁকি নেই বললেই চলে। এক শতাংশেরও কম ঝুঁকি রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ✱ভিডিয়ো- ল্যাটা মাছ ধরছেন নাকি! পুরানের লোপ্পা ক্যাচ গলালেন রিজভি, খেসারত দিতে হল দিল্লিকে
ಌসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘তবে ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত একটা জটিল সময়, যেন আর কোনও সমস্যা না হয়। কথাবার্তা একটু কম বলা উচিত। একটু বিশ্রামে থাকা উচিত। কোনও রকম ভাবে উত্তেজিত হওয়া উচিত না। শুরুর সময়টা এখানে একটু থেকে স্টেবল হয়ে তার পর তাঁর পুনর্বাসনের জন্য ভালো কোনও জায়গায় নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার পর ওঁকে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া যাবে। তার আগে নয়।’ ঝুঁকির আশঙ্কা এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে জানান আব্দুল ওয়াদুদ। তবে তামিমের পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি।
🌃২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ফরম্যাটে ৩৯১টি ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন তামিম। তাঁর একটি বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ছিল, যার মধ্যে তাদের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। তামিম বাংলাদেশের একমাত্র প্লেয়ার, যিনি ১৫,০০০ রান করেছেন এবং তিনটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করেছেন।