লখনউ সুপার জায়ান্টস ২০২৫ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ২১০ রানের বিশাল বড় টার্গেট দেওয়ার পর, তারা মোটেও হারের আশা করেনি। বিশেষ করে যখন দিল্লির ৬৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর। সেই সময় মনে হচ্ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস সহজেই আত্মসমর্পণ করবে, কিন্তু তা হয়নি। বলা ভালো, সেটা হতে দেননি আশুতোষ শর্মা, যিনি গত মরশুমে পঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলেছিলেন। ❀আর নিজেদের হারের কারণ বলতে গিয়ে পন্ত জানান, দিল্লির তিন প্লেয়ার তাদের হাত থেকে ম্যাচ 🦄ছিনিয়ে নিয়েছে।
সোমবার টস হেরে প্রথম ব্যাট করে লখনউ ৮ উইকেটে ২০৯ রান করে। সেই রান তাড়া করতে নেমে ৬৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে গেলে, সাতে ব্যাট করতে নামে আশুꩵতোষ শর্মা। 🦋শুরুতে সতর্ক হয়ে খেলছিলেন তিনি। প্রথমে ত্রিস্তান স্টাবসের (২২ বলে ৩৪) সঙ্গে জুটি বাঁধেন আশুতোষ। পরে ভিপ্রজ নিগমকে (১৫ বলে ৩৯) সঙ্গে নিয়ে দিল্লিকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন এবং শেষ ওভারে একটি ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৩১ বলে ৬৬ করে অপরাজিত থাকেন আশুতোষ। এই হারের পর পন্ত তাঁর দলকে এর থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর পরামর্শই দিচ্ছেন।
অনেক রান করার পরেও হার
ম্যাচের শেষে পন্ত বলেন, ‘আমি মনে করি, স্কোরবোর্ডে যথেষ্ট রান ছিল। ব্যাটাররা সত্যিই ভালো ব্যাটিং করেছে। আমরা হয়তো মাঝখানে গতি হারিয়ে ফেলেছিলাম। তবে আমার মতে, এই উইকেটে এটি একটি বেশ ভালো স্কোর ছিল। অবশ্যই একটি দল হিসেবে আমরা প্রতিটি ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিকটি নেব। এবং প্রতিটি ম্যাচ থেকেই শিখছি আমরা। আমরা যত বেশি মৌলিক বিষয়গুলি ঠিক করব, ততই ভালো হবে। আমাদের আর ඣভালো করা উচিত ছিল।’
আরও পড়ুন: ভিড🎐িয়ো- ল্যাটা মাছ ধরছেন নাকি! পুরানের ꦕলোপ্পা ক্যাচ গলালেন রিজভি, খেসারত দিতে হল দিল্লিকে
লখনউয়ের থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নেন এতিন খেলোয়াড়
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার মনে হয় স্টাবসি (ত্রিস্তান স্টাবস), আশুতোষ এবং... আরও একজন (ভিপ্রজ নিগম) প্লেয়ারের মধ্যে দু'টি ভা♑লো পার্টনারশিপ তৈরি হয়েছিল। সত্যি কথা বলতে, বল যত পুরনো হয়েছে, ততই বোলাররা সাহায্য পেয়েছে। কিন্তু আমরা বেসিকগুলো আরও ভালো করতে পারতাম। আমরা চাপ নিয়ে ফেলেছিলাম। ♕এটা টুর্নামেন্টের সবে শুরু এবং আমরা ধীরে ধীরে সেটেল করছি।’
ভাগ্য সহায় ছিল না
শেষ ওভারে দিল্লির জয়ের জন্য ছয় রান দরকার ছিল। বল করতে আসেন শাহবাজ আহমেদ। স্ট্রাইকে ছিলেন মোহিত শর্মা। শাহবাজ একটি দুর্দান্ত ফ্লাইট বল করেন, যেটা খেলতে গিয়ে মোহিত মিস করেন। এই বল খেলার চেষ্টা করার সময় মোহিত তাঁর একটি পা এগিয়ে নিয়ে ক্রিজের অনেকটা 🎐বাইরে চলে আসেন। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে স্টাম্প আউট করার দারুণ সুযোগ ছিল ঋষভ পন্তের সামনে। কিন্তু পন্ত বল ধরতে না পারায়, জীবনদান পেয়ে যান মোহিত। এর ঠিক পরের বলেই মোহিত শর্মা সিঙ্গেল নিয়ে আশুতোষকে স্ট্রাইক দেন। আশুতোষ 🌄কোনও সময় নষ্ট না করে একটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। পন্ত যদি বলটা ধরে মোহিতকে আউট করতে পারতেন, তবে ম্যাচ লখনউ জিতে যেত।
ম্যাচের পর পন্ত অজুহাতে ভাগ্যের দোহাই দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, দলের উপর চাপ ছিল এবং ভাগ্যও তাঁদের সহায় ছিল না। পন্তের দাবি, ‘ভাগ্যও কিন্তু বড় ভূমিকা নেয়। 🦋যদি (শেষ ওভারে) বলটি ওর (মোহিত শর্মা) প্যাডে না লাগত, তবে স্টাম্পিংয়ের জন্য একটি বড় সুযোগ ছিল।’