একেবারে লোপ্পা ক্যাচ। সেই ক্যাচ কী ভাবে মিস হয়? সমীর রিজভির এই ক্যাচ মিসের খেসারতই না দিতে হয় দিল্লি ক্যাপিটালসকে। সোমবার বিশাখাপত্তনমে ২০২৫ আইপিএলের চতুর্থ ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিকোলাস পুরানের🔜 পুরো লোপ্পা ক্যাচ মিস করেন সমীর রিজভি। তার আগেই ভিপ্রজ নিগমকে পরপর ২টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন নিকোলাস পুরান। তার পরেই তিনি ক্যাচ তোলেন। রিজভি ক্যাচ মিস করলে, তার পরের বলে ফের ছক্কা হাঁকান পুরান।
꧂সোমবার টস জিতে লখউকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল। পাওয়ার প্লে-তেই গুরুত্বপূর্ণ একটি উইকেট হারিয়ে বসেছিল লখনউ। ১৩ বলে ১৫ করে এডেন মার্করাম আউট হয়ে যান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে মিচেল মার্শ এবং নিকোলাস পুরান মিলে দিল্লির বোলারদের একেবারে ধুইয়ে দেন। মিচেল স্টার্ক, ভিপ্রজ নিগম, মুকেশ কুমার- সবাইকেই একেবারে পিটিয়ে ছাতু করেন লখনউয়ের এই দুই ব্যাটার। এই পরিস্থিতি ম্যাচের সপ্তম ওভারে বল করছিলেন ভিপ্রজ। তাঁকে ছক্কা হাঁকিয়েই স্বাগত জানান মার্শ। এর পর এক রান নিয়ে ২১ বলে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। স্ট্রাইকে আসেন নিকোলাস পুরান। তিনি পরপর ২টি ছক্কা মারেন নিগমকে। কিন্তু পঞ্চম বলে ক্যাচ তোলেন পুরান।
꧋নিগমের গুগলিতেও বড় শট মারতে গিয়েছিলেন পুরান। কিন্তু ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক লাগেনি। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টের ডানদিকে ক্যাচ ওঠে। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন সমীর রিজভি। তিনি পুরো লোপ্পা ক্যাচ হাত থেকে গলিয়ে দেন। জীবনদান পেয়ে, ঠিক তার পরের বলেই ফের ছক্কা হাঁকান পুরান। আর রিজভির সহজ ক্যাচ মিস দেখে হতবাক সকলে। নেটপাড়ায় কেউ তাঁকে গালাগাল করছেন, কেউ আবার তাঁকে নিয়ে খিল্লি করছেন।
𝐆আসলে রিজভি যখন নিকোলাস পুরানের ক্যাচ মিস করেন, তখন লখনউয়ের দুই ব্যাটার আগ্রাসী মেজাজে খেলছিলেন। চার-ছয়ের ফুলঝুরি বয়ে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে পুরানের উইকেট পড়লে, বড় অক্সিজেন পেত দিল্লি। পুরান তখন ১৭ রানে ব্যাট করছিলেন। সেই পুরান হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন ২৪ বলে। সেই সঙ্গে খেলেন বড় রানের ইনিংস। দিল্লির কোনও বোলারকেই তিনি রেয়াদ করেননি।
আরও পড়ুন: 🐽জাদেজা আর ধোনিকে স্লেজিং করলেন দীপক চাহার, CSK-এর কিংবদন্তিও ছাড়লেন না, পেটালেন ব্যাট দিয়ে- ভিডিয়ো
♋মোদ্দা কথা, রিজভি ক্যাচ মিস করার পর, আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। সেই ওভারে মোট ২৫ রান আসে। চারটি ছক্কা হয়। এর মধ্যে তিনটি ছক্কাই মারেন পুরান। ১৩তম ওভারে আবার পুরান দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকান। ষষ্ঠ বলে মারেন চার। সেই ওভারে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন পুরান। যাই হোক মিচেশ মার্শ এবং পুরান ঝড়ে নয় ওভারের মধ্যেই ১০০ রানের গণ্ডি টপকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৩ ওভারের মধ্যে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে ঋষভ পন্তের টিম। অক্ষর প্যাটেলের তখন কপাল চাপড়ানো ছাড়া, আর কিছুই করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০ বলে ৭৫ করে সাজঘরে ফেরেন পুরান। তাঁকে সরাসরি বোল্ড করে দেন মিচেল স্টার্ক। পুরানের ইনিংস সাজানো ছিল সাতটি ছয় এবং ছ'টি চারে।