২০২৫ আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারের পর, শনিবার গুজরাট টাইটান্সের মুখোমুখি হয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর সেই ম্যাচেই হার্দিক পান্ডিয়ার টিমের ফিল্ডিং নিয়ে উঠে গিয়েছে প্রশ্ন। গুজরাটের দলকে অকারণে পাঁচ রান উপহার দেওয়ার পরে, খেপে লাল হয়ে গিয়েছেন সুনীল গাভাসকরও। ঘটনাটি ঘট💦েছিল, যখন দীপক চাহারের একটি শর্ট ডেলিভারি ডিপ স্কোয়ার লেগের দিকে সাই সুদর্শন পুল করেছিলেন। এবং দেখে মনে হচ্ছিল, খুব বেশি হলে এক রানই হতে পারে। তবে ফিল্ডিংয়ের গাফিলতির জেরে হয়ে যায় ৫ রান।
মিসফিল্ডিংয়ে হল ৫ রান
গুজরাট টাইটান্সের ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলটি ডিপ স্কোয়ার লেগের দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন সা♉ই সুদর্শন। সেই সময়ে নমন ধীর রান আউটের জন্য বলটি থ্রো করেন নন-স্ট্রাইকার এন্ডে। তবে নমন ধীর স্টাম্প ভাঙতে পারেননি। আর বলটি কেউ ধরেনওনি। মিড অফে হার্দিক পান্ডিয়া বা অতিরিক্ত কভারে রোহিত♑ ছিলেন, কিন্তু কেউই বলটি ধরার চেষ্টা করেননি। বলটি চলে যায় সোজা বাউন্ডারিতে। অতিরিক্ত চার রান পায় টাইটান্স।
খেপে লাল গাভাসকর
সেই সময়ে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন সুনীল গাভাসকর। তিনি রেগে গিয়ে অন-এয়ারেই এমন ফিল্ডিংয়ের তীব্র সমালোচনা করেন। এবং বলে ওঠেন, ‘ভয়ঙ্কর, ভয়ঙ্কর ক্রিকেট’। জিটি-র ব্যাটার সাই সুদর্শনের রান নেওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করা এবং সেই সঙ্গে মুম্বইয়ের ওভারথ্রো নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন গাভাসকর। তিনি অন এয়ারে বলেন, ‘এটা নিঃসন্দেহে ভয়ঙ্কর ক্𝓰রিকেট। দীপক চাহার খুশি হননি, এটা (পাঁচ রান) ওর বিরুদ্ধে যাবে!’ ✅এদিকে ইয়ন মর্গ্যান আবার ফিল্ডিংয়ের ত্রুটিকে ‘ঢিলেঢালা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং সাই সুদর্শনকে রানের জন্য ‘জগিং’ করছেন বলেও কটাক্ষ করেছেন।
প্রথম ম্যাচ হার্দিকের
আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে প্রাক্তন ফ্র্যাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন এমআই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচ হেরেছে। তবে এদিন মুম্বইয়ের বড় অক্সিজেন ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া।🐠 তিনি নির্বাসনের শাস্তি কাটিয়ে শনিবার গুজরাটের বিরুদ্ধে ২০২৫ আইপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেন। সেই ম্যাচে হার্দিক 🍎প্রথম ইনিংসে বল হাতে নজর কাড়েন। তিনি ৪ ওভার বল করে ২৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন।
প্রথমে ব্যাট করে ১৯৬ করে গুজরাট
এদিকে গুজরাটের হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমে শুরুর দিকে শুভমনকে কিছুটা মন্থর লাগলেও, সাই সুদর্শন আগ্রাসী মেজাজেই পেটাতে শুরু করেন মুম্বইয়ের বোলারদের। শ🦩ুভমন পরের দিকে কিছু ভালো শট খেললেও, বড় রান এদিনও করতে পারেননি। তিনি ৪টি চার এবং ১টি ছক্কার হাত ধরে ২৭ বলে ৩৮ রান করেন। তিন নম্বরে নেমে জস বাটলারও চালিয়ে খেলার চেষ্টা করলেও, ♈বেশীক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি। বাটলার করেন ২৪ বলে ৩৯ রান। মারেন ৫টি চার এবং একটি ছয়।
চার নম্বরে নামা শাহরুখ খানও (৯) ব্যর্থ। তবে পাঁচ নম্বরে নেমে শেরফান রাদারফোর্ড সবে বিধ্বংসী হয়ে উঠতে শুরু করেছিলেন, কিন্তু তিনিও ১১ বলে๊ ১৮ করে সাজঘরে ফেরেন। তখন উল্টোদিকে উইকেট পড়তে থাকলেও, সাই সুদর্শন কিন্তু এক প্রান্ত ধরে রেখেছ🧸িলেন। তিনি ৪১ বলে ৬৩ রান করে আউট হন। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৪টি চার এবং ২টি ছয়ে। এটাই গুজরাটের মূল পুঁজি হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: কোহলির হেলমেটে বল মারা! চেন্নাই বোলারকে এর ফল টের পাওয়ালেন কিং, সেই ভিডিয়ো হল ভাইꦡরাল
লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা রান সেভাবে না পাওয়ায়, ২০০ রানের গণ্ডি টপকানো হয়নি গুজরাটের। রাহুল তেওয়াটিয়া কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে যান। ইনিংসের শেষ দিকে পর পর তিন বলে (১৮তম ওভারের শেষ বল এবং ১৯তম ওভারের প্রথম ২ বল) তিন উইকেট হারিয়ে বসে গুজরাট। রান পাননি রশিদ খানও (৬)। সাই কিশোর করেন ১ রান। শেষ পর্যন্ত ৭ রানে অপরাজিত থাকেন কাগিসো রাবাডা। পরের দিকে হার্দিক পান🅠্ডিয়ারা ভালো বল করায় গুজরাটের ইনিংস ৮ উইকেটে ꦬ১৯৬ রানেই আটকে যায়।