সদ্য ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের 🧜ওপর অত্যাচার সমেত সেদেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জোরালো বার্তা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিল্লি। দিল্লির সেই বার্তার পর এবার পাল্টা বার্তা দিয়েছে ঢাকা।
সদ্য বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ রফিকুল আলমকে ভারতের এই উদ্বেগ ঘিরে প্রশ্ন করা হয়। সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,' বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও সংখ্যালঘু সম্পর্কিত বিষয়সমূহ নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে।' প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীন জয়সোয়াল। তিনি বলেন,' গুরুতর অপরাধের জন্য দণ্ডিত সহিংস চরমপন্থীদের মুক্তির ফলে (বাংলাদেশে) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে আমরা এখনও উদ্বিগ্ন।' এছাড়াও তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ' বাংলাদেশের হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের ন✱িরাপত্তা ও তাঁদের সম্পত্তি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।' বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গেও রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘ আমরা একটি স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রগতিশীল বাংলাদেশ෴কে সমর্থন করি যেখানে গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান করা হবে।’
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে মহম্মদ রফিকুল আলম বলেন,' বাংলাদেশ মনে করে, এই বিষয়সমূহ একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ ধরনের মন্তব্য অযাচিত ও অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপের শামিল। এ ধরনের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার ভুল প্রতিফলন।' তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং অ🅘ভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। এছাড়াও, দিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, প𝔍ারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের বার্তা,'আমরা আশা করি যে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ধরনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।' এছাড়াও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের থেকে বাংলাদেশ কোনও উত্তর পেয়েছে কি না, তা নিয়ে রফিকুল আলমকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন,' আমরা ভারতের কাছ থেকে কোনো জবাব পাইনি।'সেক্ষেত্রে ঢাকার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে ইউনুস সরকারের তরফে বলা হয়েছে,' পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা পাবলিকলি একটা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।'