ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে অর্🧸থনৈতিক অবরোধের মুখে পড়তে পারে রাশিয়া। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।জানা গেছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ চলতি সপ্তাহের শেষে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মস্কোয় যাবেন।
রাশিয়ার সঙ্গে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হ🍷য়েছে ইউক্রেন। সৌদি আরবের জেড্ডায় মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই পরিস্থিতিতে তিন বছরের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সাময়িক বিরতি হবে কিনা, তা নির্ভর করছে ক্রেমলিনের উপর। তাই ভ্লাদিমির পুতিনের উপর চাপ বাড়াতে ওভাল অফিসে আয়ারল্যান্ডের প𒁃্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ওই মন্তব্য করেছেন বলে অনেকের ধারণা।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ইউক্রেন শান্তিচুক্তি রাজি হওয়ার পরেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে নিশানা করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে ইউক্রেন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এবার রাশিয়ার পালা। আশা করি, পুতিনও এতে সম্মত হবেন। দুই দেশের বহু মানুষ যুদ্ধে মারা গিয়েছেন। আমরা যুদ্ধের অবসান হোক সেটাই চাই।’এরপরেই তাঁর মন্তব্য, ‘রাশিয়া যদি ইউক্রেনে সামরিক হানাদারি অব্যাহত রাখে তবে তারা গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হতে পারে।'
মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেড্ডায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকের পরেই কিয়েভ ৩০ দিনের শান্তিচুক্তির প্রস্তাবে রাজি হয়। ইউক্রেনের তরফে প্রস্তাব আসতেই তড়িঘড়ি রাশিয়ায় মধ্যস্থতাকারী দলকে পাঠাতে উদ্ধত হয় ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও, সেই দলে কারা রয়েছেন সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।রুশ সরকার সূত্রে খবর, পুতিন সম্ভবত যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবেন না। ঘটনাচক্রে, তারপরেই ট্রাম্প ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মস্কোকে। জেড্ডায় রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে যুদ্ধবিরতিতে জে💖লেনস্কির সম্মতিকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশাপ্রকাশ করেন যে শীঘ্রই মস্কোও এতে ইতিবাচক সাড়া দেবে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। আর সেখানেই আলোচনা চলাকালীন বাদানুবাদে জড়ান দুই রাষ্ট্রনেতা। তুমুল বচসার পর জেলেনস্কি ও তাঁর প্রতিনিধি দলকে হোয়াইট হাﷺউস ছাড়ার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। তারপরেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে খবর মেলে, ইউক্রেনের জন্য সমস্ত সামরিক সহায়তা বন্ধ করছে মার্কেজিন যুক্তরাষ্ট্র। যতদিন পর্যন্ত না শান্তি স্থাপনের জন্য ইউক্রেনে༺র নেতারা রাজি হবেন, ততদিন পর্যন্ত সামরিক সহায়তা বন্ধ থাকবে। কিন্তু এরপর ফের সেই জট খুলতে চেষ্টা করেন জেলেনস্কি। অবশেষে তিনি শান্তির লক্ষ্যে এক কদম বাড়িয়েছেন।