কলাইকুন্ডায় বিমানবন্দর গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর জন্য আগেই কত জমির প্রয়োজন? তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সমীক্ষাও হয়েছে। এই বিমানবন্দর তৈরির জন্য প্রচুর জমির প্রয💙়োজন। সেই জমি অধিগ্রহণের কাজ কতটা এগিয়েছে? প্রকল্পের কাজই বা কতদূর এগিয়েছে? সে বিষয়ে তথ্য জানাল কেন্দ্র। এ নিয়ে রাজ্যসভায় প্রশ্ন করেছিলেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তার উত্তরে 🐷কেন্দ্র জানিয়েছে জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনও শেষ হয়নি।
আরও পড়ুন: মেদিনীপুরের আকাশে উড়ল ত♔েজস–রাফাল, 🔴বাংলায় কেন দেখা গেল যুদ্ধবিমানকে?
উল্লেখ্য, কলাইকুন্ডায় সামরিক বিমানঘাঁটি রয়েছে। সেখানেই এই বিমানবন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয💜়েছে। কলাইকুন্ডায় বিমানবন্দর করার জন্য সামরিক বিমানঘাঁটি লাগোয়া ৩৮.২৫ একর জমির প্রয়োজন। শমীক জানতে চান, সেই জমি রাজ꧂্য কেন্দ্রকে দিয়েছে কিনা? এছাড়া, জমির জন্য কতবার রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কেন্দ্র? কতবার চিঠির জবাব পেয়েছে? সে বিষয়েও মন্ত্রকের কাছে জানতে চান শমীক ভট্টাচার্য। তার উত্তরে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নায়ডু জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। সেই কাজ মিটলেই প্রক্রিয়া এগোবে।
শমীক আরও প্রশ্ন করেন, জমি অধিগ্রহণে দেরির কারণে প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে গিয়েছে কিনা? প্রকল্পের কাজ দ্রুত করতে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে? সে বিষয়েও জানতে চান তিনি। রামমোহন জানিয়েছেন, রা🐽জ্য সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সেই কাজ করছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। জমি অধিগ্রহণের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজ্যে কলকাতা ছাড়াও বাগডোগরা, অন্ডালে বিমানবন্দর রয়েছে। রাজ্যের বিমান পরিবহণ পরিকাঠামোর উন্নয়নে আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় বিমান বন্দর কর🍸ার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল এই কলাইকুন্ডা। সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় মাঝেমধ্যে এখানে যৌথ সামরিক মহড়া হয়। এখানে ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলটদের প্রশিক্ষণ হয়। শুধু তাই নয়, বায়ুসেনার পাইলটরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের 🐬সামরিক কৌশল এই বিমানঘাঁটিতেই শিখে থাকেন। এখানে বড় রানওয়ে রয়েছে, যার দূরত্ব প্রায় ২.৭ কিলোমিটার।