লন্ডন সফর শেষ। ঘরে ফিরছেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শনিবার সন্ধ্যাতেই তাঁর কলকাতায় ফেরার কথা। শুক্রবারই রওনা দেন তিনি। লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দর থেকে বিমানে দুবাই হয়ে কলকাতা ফেরার ক💎থা রয়েছে তাঁর।
৬দিনের লন্ডন সফর শেষ। শুক্রবার লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত ১০টা নাগাদ দুবাই হয়ে🅠 কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী। শনিবার সন্ধ্যাতেই তিনি দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে যেতে পারেন।
গোটা লন্ডন সফরের নানা আপডেট দিয়েছেন তাঁর সফরসঙ্গীরা। তাঁর সফরচলাকালীন ব্রিটিশ বণিক মহলের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন রাজ্য সরকারের শীর্ষকর্তারা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেলগ কলেজে বক্তব্য রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তবে গোটা লন্ডন সফরের মধ্য়ে এই বক্তব্য রাখার বিষয়টি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী কী বলেন সেদিকে উৎসাহ ছিল অনেকেরই। তবে সেই বক্তব্য রাখার সময়ই কিছুটা সুর কাটে। সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যেতে বাধ্য় করা, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরজি কর নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে বিদেশের মাটিতে এভাবে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ দেখানো কতটা যুক্তিসংগত তা নিয়ে ইতিমধ্য়েই প্রশ্ন উঠছে। তবে মুখ্য়মন্ত্রী 🌱নিজে অবশ্য গোটা বিষয়টি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় মোকাবিলা করেন বলে খবর। গণতন্ত্রের কথাও বলেন তিনি।
গত ২২ মার্চ রাত ৮টা নাগাদ কলকাতা থেকে দুবাই যান মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এরপর ভারতღীয় সময় ২৩শে মার্চ ভোর ৪টে ৪৮ মিনিটে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেন। রবিবার ভারতীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি লন্ডনে পৌঁছন। এবার ঘরে ফেরার পালা। ঘণ্টা তিনেক আগে তাঁর সফরসঙ্গী কুণাল ঘোষ সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন লন্ডন থেকে দুবাই পৌঁছলেন ম🐻ুখ্যমন্ত্রী। দুবাই বিমানবন্দরে নামল বিমান।
আর লন্ডন সফর নিয়ে মমতা লিখেছেন,
মমতা লিখেছেন,
'বিশ্বের আঙিনায় প্রগতির ধ্বনি
নবজাগরণের সুরে বাজে আগমনী
উন্নয়নের আলো মেঘে ঢাকবে না
মাতঙ্গিনীর বাংলা কভু হারবে না'
এরপর তিনি লিখে🔴ছেন, 'ছোটবেলায় যেদিন বাবাকে হারিয়েছিলাম তখনই সংগ্রামের জীবন শুরু হয়েছিল। ছা♏ত্র নেতা হিসাবে লড়াই বিরোধী হিসাবে লড়াই, আর এখন জনগণের সরকারের প্রধান হিসাবে। আমি কখনও লড়াইয়ের রাস্তা থেকে সরে আসিনি। কখনও সরে আসব না। তবে বাংলার সাফল্যকে ছোট করতে দেব না, আমাদের উন্নয়নের নেপথ্যে যে আত্মত্যাগ আছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেব না।'
'এটা একটা ব্যক্তিগত গর্বের ব্যাপার যে গবেষক, শিক্ষাবিদদের দেখা, …অক্সফোর্ড বিশ্ꦅববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে বাংলার উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের কথা তুলে ধরতে পেরেছি এটা একটা ভালো অভিজ্ঞতা, মনে থাকবে চিরদিন…﷽'