🐟মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সফরসঙ্গী হয়েছেন অনেকেই। তার মধ্য়ে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও রয়েছেন। সোশ্য়াল মিডিয়ায় নানা আপডেট দিচ্ছেন তিনি। তবে বিদেশ থেকে তিনি যেসব ছবি বা ভিডিয়ো পোস্ট করছেন তার কমেন্ট সেকশনে এমন কিছু মন্তব্য করা হচ্ছে যা শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এটা কতটা যুক্তিসংগত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে এসবের মধ্য়েই এবার এক্স হ্যান্ডেলে ফের একটি পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ।
๊সেখানে তিনি লিখেছেন, 'আমি। সঙ্গে আমার হাতে আমাদের লন্ডনের ছবি দেখে যাদের ফাটছে, হিংসায় গা জ্বলছে, তিড়িং বিড়িং লাফাচ্ছে, হতাশা থেকে পোস্টে গাল দিচ্ছে, আমার হাতে তাদের এক প্রতিনিধির প্রতীক।
𝓡এর নাম অতৃপ্ত আত্মা। সোশ্যাল মিডিয়ার অজস্র শুভানুধ্যায়ীর মধ্যে এরকম গুটিকয়েক পরশ্রীকাতর, অবসাদগ্রস্ত থাকে। এরা বিতর্কিত অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইটা দেখে আরও হীনমন্যতায় ভোগে।…' লিখেছেন কুণাল ঘোষ।
কার্যত বিলেত সফরে যাওয়ার পর থেকেই কুণাল ঘোষ একের পর এক পোস্ট করছেন। সেখানে বাংলার শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগ টানতে, বাংলার মুখ উজ্জ্বল করতে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন তারই কিছু নমুনা তুলে ধরছেন। তবে তিনি পোস্ট করতেই কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়ছেন নেটিজেনদের একাংশ। কার্যত এবার তাঁদেরই একহাত নিলেন কুণাল ঘোষᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚ। তাঁদেরকে কার্যত পরশ্রীকাতর, অবসাদগ্রস্ত বলে উল্লেখ করেছেন।
🍎তবে সেই পোস্টটি করার পরেও যে সমস্ত মন্তব্য ভেসে আসছে সোশ্য়াল মিডিয়ায় তা কতটা প্রাসঙ্গিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এক নেটিজেন রীতিমতো দাদা সম্বোধন করে লিখেছেন, দাদা, একটা অনুরোধ আছে। আপনার দলের নেতাদের তো চৌর্যবৃত্তিতে অসাধারণ প্রতিভা। খাটের তলায় টাকার পাহাড় দেখেছি। প্লিজ একটা কাজ করুন না লন্ডন যখন গেছেন যদি পারেন ব্রিটিশ মিউজিয়াম থেকে কোহিনুর হীরেটা ঝেঁপে আনুন না। এতে দোষের কিছু নেই। ইতিহাস বলছে ওটা আমাদের সম্পত্তি।
ဣতবে অপর একজন লিখেছেন, যেভাবে একা নির্ভীক লড়াই দিয়ে গেলেন আপনি তার জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
🔯অপর একজন লিখেছেন, দাদা করদাতাদের টাকা দিয়ে প্রমোদ ভ্রমণ করছেন। হ্যাপি থাকুন না। আমরা আমাদের আয় দিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ করে খুশি।
൲নানা জনে নানা মন্তব্য করছেন। কেউ কুণাল ঘোষের পোস্টের প্রশংসা করছেন। কেউ আবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিলেতে চামচ চুরির সেই আগের অভিযোগের কথা।