বিদেশের মাটিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্🍌রীকে অপমান করতে গিয়ে একদিকে যেমন মুখোশ খুলে গিয়েছে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের তেমনই ওই বিক্ষোভে থাকা বিজেপি কর্মীরও পরিচয় প্রকাশ্যে চলে এল। সুতরাং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মমতা বন্দ্যো🤡পাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভাষণ বানচাল করতে রাম–বাম এক হয়েছিল এমন তথ্য এবার প্রকাশ্যে চলে এল। গত ২৭ মার্চ লন্ডনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য চলাকালীন অশান্তি করার চেষ্টা করেছিল এসএফআই। সেই দায় স্বীকারও করেছিল এসএফআই, ইউকে শাখা। আর আজ, রবিবার আর এক বিক্ষোভকারীর পরিচয় সামনে চলে এল। এসএফআইয়ের সঙ্গে ওই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীও। তাঁর নাম সুশীল ডোকওয়াল এক্কা।
লন্ডন সফরে থাকাকালীন সেন্ট জেমস কোর্টের কাছে যে হোটেলে ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সফরসঙ্গীরা, তার কাছেই দেখা গিয়েছিল সুশীল ডোকওয়াল এক্কাকে। কেলগ কলেজে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা শুর✅ুর আগে তাঁর সঙ্গে কথাও বলেছিলেন সুশীল ডোকওয়াল এক্কা।💎 তোলেন সেলফিও। আর বিক্ষোভকারীদের মধ্যেও মিশে যান সুশীল ডোকওয়াল এক্কা। যিনি কট্টর বিজেপি সমর্থক এবং বিজেপির হয়ে নানা কাজ করে থাকেন বলে সূত্রের খবর। সুতরাং বিদেশের মাটিতেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় রাম–বাম একজোট বেঁধে ষড়যন্ত্র করেছিল সেটা আরও একবার প্রমাণ য়ে গেল।
আরও পড়ুন: প্রগতি ময়দান থানার পর এবার আনন্দপুর, বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার–সহ গ্রেফতার দুই কারবারি
এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে সিপিএম রটিয়ে দিয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী অক্সফোর্ডে আমন্ত্রণ পাননি। বিয়ার কোম্পানির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছেন। কিন্তু যখন দেখা গেল, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ই তাঁকে আমন্ত্রণ করেছে এবং সেখানে বক্তব্য রাখবেন তখন বিক্ষোভ দেখানোর পথ বেছে নেয় বামেরা। আর তার সঙ্গে যোগ দেয় বিজেপির কর্মী–সমর্থক বলে পরিচিত সুশীল ডোকওয়াল এক্কা। ব্রেন্টের ওয়েম্বলিতে বসবাস করে সুশীল। ব্রিটেনের এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সংস্থায় কাজ করেন। সুশীল ডোকওয়াল এক্কা গেরুয়া শিবির ঘেঁষা। তাঁর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সেসব প্রমাণ রযেছে। ওই অনুষ্ঠানে আরজি কর কাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদ করার প্রস্তুতিও ছিল সুশীল ডোকওয়াল এক্ক✤াদের। সোশাল মিডিয়ায় তিনিই ওই পোস্ট করেন।
গত ২৭ মার্চ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেলগ কলেজে ‘দ্য হাব’ প্রেক্ষাগৃহে নারী ক্ষমতায়ন শীর্ষক মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতার সময় শোরগোল ফেলে দেয় কয়েকজন তরুণ–তরুণী। তবে সমবেত জনতা বিক্ষোভকারীদের কার্যত গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। পরে সামনে আসে তাঁরা কেউ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নয়। এসএফআই, ইউকে’র সদস্য। নাম ভাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় ঢুকে গোলমাল করার ছক কষেছিল। কিন্তু অতীতের কয়েকটি বিষয় এখন উঠে আসছে। জ্যোতি বসু লন্ডনে কুড়ি বার সফর করেছিলেন। কিন্তু কোনও বিজনেস মিটের জন্য নয়। প্রথম গিয়েছিলেন ১৯৩৫ সালে ব্যারিস্টার হতে। ১৯৭৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রত্যেক বছর একবার করে লন্ডন সফর করেছেন। ১৯৮৪ সালে একসঙ্গে লন্ড♊ন এবং কানাডা সফরে যান জ্যোতি বসু। ১৯৯৬ সালে লন্ডন সফরে জ্যোতি বসুর সঙ্গে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কিন্তু কোনও শিল্প এসেছিল কি? উত্তর নেই কমরেডদের কাছে।