পরাজিত অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভেঙে পড়ছে আপ দুর্গ। দিল্লিতে পতপত করে উড়ছে গেরুয়া পতাকা। এবার আপের এই পতনের জন্য সরাসরি কেজরিওয়ালকেই দায়ী করলেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, 'আপের দিল্লিতে পতনের জন্য় দায়ী হলেন কেজরিওয়াল। বিকল্প একটা রাজনীতির জন্য একটি দল তৈরি হয়েছিল। সেই দলটা স্বচ্ছ হওয়া দরকার ছিল। দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক হওয়া দরকার ছিল। আর সেই দলটাই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মাধ্য়মে সুপ্রিমোর কর্তৃত্বাধীন, অস্বচ্ছ ও দুর্নীতিগ্রস্ত দলে পরিণত হল। লোকপালও করল না। তাদের নিজস্ব লো⭕কপালকেও বাতিল করে দিল।
তিনি ৪৫ কোটির সিসমহল বানিয়েছিলেন নিজের জন্য। বিলাꦕসবহুল গাড়িতে চেপে ঘুরতেন। বিশেষজ্ঞ কমিটির ৩৩টি ডিপিআরকে ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।…শেষের শুরু হয়ে গেল। একটা খোলা ꦏচিঠি লিখে আমি দল ছেড়েছিলাম।'
এরপর ২০১৫ সালে লেখা সেই চিঠির অংশ প্রকাশ করেছেন তিনি। সেই চিঠিতে লেখা আছে, ন্যাশানাল কাউন্সিল মিটিংয়ে আহ্বায়কের বক্তব্য ♈আপনি পার্টির পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা না করে আমাকে আক্রমণ করেছেন। চিৎকার চেঁচামেচির মধ্য়ে আমাকে সরানোর রেজোলিউশন পাঠ করেন মণীশ সিসোদিয়া। ক🎃োনও আলোচনা না করেই তিনি হাত তুলে সমর্থন জানানোর জন্য বলেন।
সেই সময়ই কেজরিওয়ালের একাধিক ভুলকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন প্রশান্ত ভূষণ। তিনি চিঠিতে লিখেছিলেন, প্রথমত আপনি যে কোনও মূল্যে আপনার কথা চাপিয়ে দিতে চান। পার্টির পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে এমন সিদ্ধান্তও আপনি চাপিয়ে দিতে চান। কিছু অনৈতিক কাজকর্মও আপনি করতে চান। লোকসভা ভোটের পরে আপনি ভেবেছেন যে দিল্লিতে সরকার না গড়লে দল শেষ হয়ে যাবে। সেকারণে ভোট মিটতেই আপনি কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলেন। সেটা প্রকাশ্যে আসতেই অনেকেই আপত্তিꦯ তুললেন। বললেন যে এটা হল ক্ষতি হয়ে যাবে। আপনাকে বলেছিলাম এভাবে যাবেন না। পলিটিকাল অ্য়াকশন কমিটিতে আলোচনা করুন। আপনার বাসভবনে মিটিং হয়েছিল। সেখানে সংখ্য়াগরিষ্ঠ বলেছিলেন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে সরকার গড়া যাবে না। আমি বলেছিলাম এটা সুবিধাবাদী হয়ে যাবে। কংগ্রেস যদি হাত তুলে নেয় তবে আমাদের বেঁচে থাকাটা খুব কঠিন হয়ে যাবে।
এমনই নানা অভিযোগ তুলে সেই সময় চꦗিঠি দিয়েছিলেন আইনজীবী সমাজকর্মী প্রশান্ত ভূষণ। তবে শেষ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের সঙ্গে প্রশান্ত ভূষণের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। আর আপ পরাজিত হতেই পুরনো কথা তুললেন প্রশান্ত ভূষণ।