সাত তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ। এমনটাই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। একটি নির্মীয়মান বিল্ডিং থেকে সেই ছাত্র ঝাঁপ দেয় বলে খবর। কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয✃়ে পড়াশোনা করতেন ওই ছাত্র। ঝাঁপ দেয় ওই ছাত্র। এমনটাই খবর।
সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর,ভুবনেশ্বরের মঞ্চেশ্বরের কাছে একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের কাছ থেকে কেআইআইটি বিশ্꧒ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হযꦅ়েছে।
মৃত ছাত্র অর্ণব মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার বাসিন্দা। তিনি কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বি টেক ডিগ্রি (তৃতীয় বর্ষ) কোর্সে পড়াশোনা করতেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হস্টেলে থাকত🍃ে𝔍ন।
হস্টেল থেকে অনেক দূরে ওই এলাকায়ꦏ তার উপস্থিতির কারণ এখনও জানা যায়নি। ভুবনেশ্বরের সহকারী ♉পুলিশ কমিশনার (জোন-৫) বিশ্বরঞ্জন সেনাপতি ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাসিন্দারা ওই ছাত্রকে পড়ে থাকতে দেখে ও তৎক্ষণাৎ🌜 পুলিশকে খবর দেয়। মাঞ্চেশ্বর পুলিশ দ্রুত সা🦋ড়া দেয় এবং ছাত্রটিকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‘তল্লাশির সময় আমরা কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্লিপ উদ্ধার করি, যার পরে পুলিশের একটি দল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করে কিন্তু সনাক্ত করতে পারেনি। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ থানায় গিয়ে আমাদের জানায় যে বিটেক (তৃতীয় বর্ষ) কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখার একজন ছাত্র নিখোঁজ। এবং নিশ্চিত হয়েছেন যে দেহটি নিখোঁজ ছাত্রের,’ এসিপি বিশ্বরঞ্জন সেꦅনাপতি এএনআইকে বলেছেন।
নির্যাতিতার বাবা-মাকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা আসার পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জা꧅নꦅিয়েছিল পুলিশ।
তদন্ত অব্যাহত থাকায় মৃত্যুর কারণ এখনও নির্ধারণ করা যায়নি। ছাত্রের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিকে গোটা ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। কেন ওই ছাত্র ঝাঁপ দিলেন, ঠিক কী হয়েছিল ঘটনাটি, কেউ কি তাকে প্ররোচিত করেছিল। এটা 🃏আদৌ আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনও রহস্য রয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও ১৬ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় বর্ষের এক B.Tech ছাত্রীকে তার হস্টেলের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যার পরে নেপালি শিক্ষার্থীরা ব🧔িক্ষোভ প্রদর্শন করে, অভিযোগ করে যে একজন সহপাঠꦬী তাকে হয়রানি করেছে এবং একাধিক অভিযোগ সত্ত্বেও কলেজ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ভুবনেশ্বর-কটকের পুলিশ কমিশনারেটের প্রেস বিবৃতি অনুসারে, ১৭ ফেব্রুয়ারি অভি♊যুক্ত ছাত🐼্রকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সেদিনই বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। (এএনআই)