বিধানসভা নির্বাচন বাংলায় বছর ঘুরলেই। তার মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে ‘ভূতুড়ে ভোটার’ এবং এপিক কার্ড নিয়ে গরমিলের। একই এপিক নম্বরে একাধিক ব্যক্তির কার্ড থাকা নিয়ে আগেই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল কংগ🌳্রেস। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন সাংসদরা। এমনকী নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে দেখা করেছিলেন। এই একই এপিক নম্বরে একাধিক ব্যক্তির কার্ড থাকার কথা মেনে নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর বলেছিল, ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর চালু করা হবে। তারপর কিছুদিন সময় কেটে গিয়েছে। তাই আধার–এপিক ইস্যুতে আবার নির্বাচন কমিশনের উপর ‘চাপ’ বাড়াতে 🎉দেখা করতে সময় চেয়ে চিঠি দিল তৃণমূল কংগ্রেস।
এদিকে এই চিঠি দেওয়ার পর এখন পাল্টা তারিখ জানিয়ে কোনও উত্তর পায়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তার মধ্যেই সংসদে বিজেপিকে চেপে ধরেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। এই ইস্যুতে পাশে পাওয়া গিয়েছে কংগ্রেস–সহ ইন্ডিয়া জোটের বাকি সদস্যের। এটাই কপালে ভাঁজ ফেলেছে কেন্দ্রের। তার মধ্যে নানা জেলা থেকে ভূতুড়ে ভোটার ধরা পড়ছে। যা নিয়ে বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে ভূতুড়ে ভোটার ঢুকিয়ে দিয়েছে ভোটার তালিকায় বলেꦰ অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।
আরও পড়ুন: বিজেপির চারজন সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসে আসছেন? বড় তথ্য ফাঁস করলেন কুণাল
অন্যদিকে একাধিক রাজ্যে ভিন্ন ভোটার কার্ডের একই এপিক নম্বর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই বিষয়টি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশন তখন জানিয়ে দেয়, একই এপিক নম্বর থাকলেও একজন ভোটদাতা একটি কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু সে কথা মানতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। তাই চাপ এখন বাড়াতে শুরু করেছে ঘাসফুল শিবির। সব ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর যাতে ইউনিক হয়, সেই পদক্ষেপ করছে তারা। এই কথা নির্বাচন কমিশন জানালেও সেটার পদ্ধত💞ি না জানানোয় বিতর্ক বেড়েছে।
এছাড়া ৩১ মার্চ জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় কমিটির সদস্যরা। বুধবার দুপুরে দেখা করতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করেনি নির্বাচন কমিশন। তারপরই আবার চিঠি লিখল তৃণমূল কংগ্রেস। আধার–এপিক সংযোগ ইস্যুতে আলোচনা এবং আগের চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার চেয়ে চিঠি দেওয়া হল। ইতিমধ্যেই প্রত্যেক জেলায় টিম নেমেছে ভূতুড়ে ভোটার ধরতে। কাজ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। সু♐তরাং প্রচুর তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। যা তুলে ধরা হবে নির্বাচন কমিশনের হাতে।