ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের ৩ বছর হতে চলল। তার আগে রবিবার এক ভাষণে কৌশলী জেলেনস্কি দিলেন বড়সড় শর্ত। তিনি সাফ জানান যে, পদত্যাগ করতে রাজি রয়েছেন, তবে তার বদলে ইউক্রেনকে দিত💧ে হবে ন্যাটোর সদস্যপদ। প্রসঙ্গত, ইউক্রেনে রুশ হামলা নিয়ে শান্তি আলোচনায় কয়েকদিন আগেই মস্কো ও ওয়াশিংটন♐ বসেছিল। আলোচনায় ছিল না ইউক্রেন। তা নিয়ে সরব হন জেলেনস্কি। এই কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে এবার জেলেনস্কির সাফ দাবি, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে রাজি রয়েছেন, তবে তাঁর দেওয়া শর্ত মানতে হবে তার বদলে।
ইউক্রেনের যুদ্ধে শান্তি আলোচনা নিয়ে মার্কিন, রুশ বৈঠক আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়াও জানা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহেও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ফের শান্তি ফেরানোর আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা ও রাশিয়া। এমন এক পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলছেন,' ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে যদি সত্যিই দরকার হয়, তাহলে আমি আমার পদ ছেড়ে দিতে পারি, আমি প্রস্তুত। তবে আমি তা করতে পারি ন্যাটো ( ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ দিলে)র বদলে।' এরই সঙ্গে, আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জেলেনস্কির বার্তা, আমেরিকা যাতে মস্কো আর কিয়েভের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হওয়া ছাড়াও ইউক্রেনের সঙ্গে একপক্ষে আসে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন,' আমি চাইছি ট্রাম্প আরও একে অপরকে বুঝুন।' একইসঙ্গে তিনি রিপোর্টারদের বলেন,' আমেরিকা থেকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি খুব জরুরি।' উল্লেখ🌃যোগ্যভাবে তিনি এও জানান যে, ইউক্রেনের প্রাকৃতিক সম্পদে আমেরিকার ‘অ্যাকসেস’র বদলে ইউক্রেন যাতে মার্কিন নিরাপত্তা সহযোগিতা পায়, তার জন্য একটি চুক্তি খুব শিগগিরই করতে পারে দুই দেশ। এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প চলমান সংঘাতে ব্যাপক প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে একটি শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এদিকে, সদ্য রিয়াধে রাশিয়া-আমেরিকার বৈঠক নিয়ে খুব একটা স্বস্তি প্রকাশ করেনি ইউক্রেন। কিয়েভের দাবি,ইউক্রেনের শান্তি আলোচনায় নেই খোদ ইউক্রেন। সেই জায়গা থেকে জেলেনস্কির সাফ কথা ছিল,'কিয়েভের আড়ালে কোনও আলোচনা (ইউক্রেন যুদ্ধের) করা হবে না।'
প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির উপর ফোকাস ধরে এবং ইউক্রেনের সাথে মস্কোর চলমান যুদ্ধের সমাধানের জন্য আলোচনা করেছিলেন। তারপরই ন্যাটোর দাবি নিয়ে জেলেনস্কির এই বার্তা বেশ প্রাস♉ঙ্গিক আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে।