একাধিক দাবি নিয়ে তখন পুরকর্মীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল। হঠাৎই মোড় ঘুরে💧 গেল অন্যত্র। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল। তুমুল মারপিঠের জেরে রক্ত ঝরল কৃষ্ণনগর পুরসভায়। এই ঘটনা ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারণ এই দু’পক্ষের সংঘর্ষে ব্যবহার হয় লাঠি, বাঁশ। তা নিয়েই একে অপরের উপর চড়াও হয়। তাতে আরও রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। এই সংঘর্ষের পরিণতি হয়েছে মারাত্মক জখম হলেন অন্তত পাঁচজন। তাঁদের মাথা ফেটে রক্তারক্তি কাণ্ড দেখা যায়। এদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আজ, শুক্রবার দুপুরে কৃষ্ণনগর পুরসভার এখন এবং প্রাক্তন কর্মচারীরা গ্র্যাচুইটি–সহ নানা দাবি নিয়ে পুরসভা চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। ওই বিক্ষোভ চলাকালীন কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারম্যান রীতা দাস অন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তখন লাউডস্পিকার বাজানো নিয়ে শুরু হয় তুমুল বচসা। এ🌳ই বচসা ঘটে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। একটি গোষ্ঠী পুরসভার চেয়ারম্যানের। অপর গোষ্ঠী কাউন্সিলরদের। আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে যায় দলীয় সংগঠন। আর তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ গড়ায় মারামারিতে। তার ফলে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
আরও পড়ুন: ‘ভাষা কারোর কেনা নয়’, আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসে দক্ষিণ কলকাতা থেকে বার্তা মমতার
এদিকে কৃষ্ণনগর পুরসভার মধ্যস্থতায় কর্মচারীদের আন্দোলন সাময়িক থেমে যায়। তাতে কিন্তু অশান্তি থামেনি। কারণ কিছুক্ষণের মধ্যেই কৃষ্ণনগর পুরসভা চত্বরে হাজির হন কয়েক’শো কর্মী–সমর্থক। তাঁদের হাতে দেখা যায় লাঠি–বাঁশ। মারমুখী মেজাজে একে অপরের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েন তাঁরা। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। ব্যাপক সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কৃষ্ণনগর পুরসভা চত্বর। এমনটা যে ঘটবে তা আগাম আঁচ কেউ পাননি। ফলে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।☂ তবে ততক্ষণে ভাঙচুর চালানো হয় কৃষ্ণনগর পুরসভার আসবাবপত্রে। আর মাথা ফেটে মারাত্মক জখম হন দু’জন।
এই ঘটনা নিয়ে এখন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্বস্তি চরমে ওঠে। একজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী চোখে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে অভিযোগ। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণে নেমে পড়েন। কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারম্যান এই ঘটনাকে ‘মস্তান বাহিনীর আক্রমণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। পাল্টা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন কৃষ্ণনগর পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর। কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারম্যান রীতা দাস বলেন,𝐆 ‘বাইরে থেকে মস্তান নিয়ে এসে পুরসভায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আমাকে♑ হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে।’