আইনজীবীদের আপত্তি সত্ত্বেও বিচারপতি দীনেশ কুমার শর্মাকে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। তবে বিচারপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরত থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আইনজীবীরা। এই অবস্থায় তাঁদের সিদ্ধান্ত বদলের জন্য আইনজীবীদের চিঠি দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। তারপরেই শপথ অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল আইনজীবীদের অন্যতম সংগঠন বার অ্যাসোসিয়েশন। (আরও পড়ুন: ജ'...যথেষ্ট আন্তরিক', মোদী-ইউনুসের ৪০ মিনিটের বৈঠকে 'আনন্দ পেয়েছে' BNP)
আরও পড়ুন: 𝓡শিক্ষমিত্ররা ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন, কাজে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
চিঠিতে প্রধান বিচারপতি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কথা মনে করান আইনজীবীদের। তিনি এখানে যে ভালোবাসা, আতিথেয়তা এবং স্নেহ পেয়েছেন সেকথাও মনে করিয়ে দেন। বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য আইনজীবীদের তিনটি সংগঠন বার অ্যাসোসিয়েশন, বার লাইব্রেরি এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোস্যাইটির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে কলকাতা হাইকোর্টকে আরও গর্বিত করে তোলার আহ্বান জানান। (আরও পড়ুন: 🌟'বাবু...', নিহত বায়ুসেনা পাইলটের দেহ জড়িয়ে কান্না বাগদত্তার, দেখুন সেই ভিডিয়ো)
আরও পড়ুন: 🐷'ইউনুসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে তৎপর ভারতীয় RAW এজেন্টরা...'
🐻উল্লেখ্য, দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাড়ি থেকে প্রচুর টাকা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে হাইকোর্টের অন্য এক বিচারপতি দীনেশ কুমার শর্মাকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট কলেজিয়াম। তারপরেই বিচারপতির বদলির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি লিখেছিল কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীদের তিনটি সংগঠন। চিঠিতে বিচারপতি দীনেশ করুন শর্মার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বদলি স্থগিত এবং পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কাছে চিঠি লিখেছিলেন আইনজীবীরা। তবে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রক বিচারপতি শর্মাকে কলকাতা হাই কোর্টে বদলির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয়। এর আগে বিচারপতি দীনেশ কুমার শর্মাকে বদলির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত কার্যত কর্মবিরতি পালন করেন হাইকোর্টের আইনজীবীরা। তবে প্রধান বিচারপতির চিঠি পাওয়ার পরেই আইনজীবীদের বার অ্যাসোসিয়েশন বৈঠক করে শপথে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।