সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এক নিমেষে চাকরিহারা হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী। এই ঘটনা নিয়ে এখন রাজ্য–রাজনীতি তোলপাড় হয়ে উঠেছে। কোনও শিক্ষিকা আত্মহত্যা করতে যাচ্ছেন, কেউ দিশেহারা, আবার এই ধাক্কা সহ্য করতে না পেরে শিক্ষক–শিক্ষিকার মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। তার সঙ্গ𝓡ে চাকরিহারাদের কান্নার মুখ ভেসে উঠছে সংবাদমাধ্যমে। এবার এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ মুখ খুললেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগ্য চাকরিহারাদের পাশে আছেন এবং ৭ তারিখ তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কর🎐ে যা করার নিশ্চয়ই করবেন। তার জন্য আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান কুণাল।
প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক–শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার ঘটনায় এসএসসি’ও এখন নতুন করে ভাবছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির রায় নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বিপদে যারা পড়েছেন তাঁদের পাশে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে আইনজীবীদের। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন, সকলের🐲 চাকরি যেতে পারে না। আর এক বিচারপতি সকলের চাকরি যাওয়ার রায় দিলেন। এটা অবিচার। কোনও গ্রেফতার হওয়া বা অভিযুক্তকে ডিফেন্ড করছি না। তৃণমূল কংগ্রেস তাদের বাঁচাতে কোনও কোর্টে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। যাঁদের কোনও দোষ নেই, তাঁরা কেন বিপর্যয়ে পড়বেন? সকলকে জলে ফেলে দেওয়া হল। এই রায় সমর্থনযোগ্য নয়।’
আরও পড়ুন: স্বামী ও পরিবারকে অন্ধকারে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে দিঘায় যুবতী, হোটেল থেকে দেহ উদ্ধার
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ৭ এপ্রিল চাকরিহারাদের মঞ্চে যাবেন। সেটা নবান্ন থেকে তিনি জানিয়েও দিয়েছেন। আর কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ‘মুখ্যমন্ত্রী চাকরিহারাদের পাশে আছেন। তিনি কিছু একটা ব্যবস্থা নেবেন। ৭ তারিখ তিনি কী করছেন, তিনি কী ভাবছেন সেটা জানাবেন। বিপদগ্রস্তদের পাশে আছেন। সমস্ত দিক মুখ্যমন্ত্রী দেখছেন। যেটা বৈধ বলে মনে করবেন সেটা হবে। কী করতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন। যাঁরা চাকরি খাওয়ায় পৈশাচিক উল্লাসে নৃ🍃ত্য করছেন, তাঁদের কিছু বলার দরকার নেই। কীসে ভাল হয় সেটা মমতা বন্দোপাধ্যায় জানেন। ভাল সিদ্ধান্তই নেবেন।’
সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর প্রধান বিরোধী দল রাস্তায় নেমে পড়েছে। নয়াদিল্লিতে বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাংলার বিজেপি সাংসদরা। বিরোধী দলনেতা ৭ তারিখ কালীঘাট চলো ডাক দিয়েছেন। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ‘যাঁরা ২০১৬ সাল থেকে পড়াচ্ছেন, তাঁরা কলেজ স্তরের বিষয় পড়ে পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু স্কুল স্তরে পড়ান। এতদিন তারা শিক্ষাদানের বাইরে ছিলেন। তাই এসএসসি নিয়োগে প্রত্যেক বছরের জন্য কিছু নম্বর সংযোজন করা হোক। এত বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকায় তাঁদের কিছু গ্রেস মার্কস দিক এসএসসি। অন্তত এই দিকটা দেখুক রাজ্য সরকার।’ জবাবে কুণাল ঘোষের কথায়, ‘এখন পᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚৈশাচিক আনন্দ করে জ্ঞান দেওয়ার দরকার নেই।’