গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-এর আওতাধীন এলাকায় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে যে মামলা রুজু করা হয়েছিল, সেই মামলার তদন্ত কত দূর এগোলো? এই প্রশ্নের বিস্ꦅতারিত জবাব চায় কলকাতা হাইকোর্ট। আর, সেই কারণেই এবার রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা - সিআইডি-এর ডিআইজি-কে আদালতের শুনানিতে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।
আদালত সূত্💎র🧔ে জানা গিয়েছে, আগামিকাল (বুধবার - ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) এই মামলার ফের শুনানি হবে বিচারপতি বসুর এজলাসে। সেই শুনানিতেই ডিআইজি সিআইডি-কে যোগ দিতে হবে। তবে, তাঁকে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না। তার বদলে শুনানি চলাকালীন ভার্চুয়াল মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন তিনি।
উল্𒊎লেখ্য, পাহাড়ে - অর্থাৎ - জিটিএ-র আওতাধীন এলাকায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মামলা রুজু হওয়ার পর সেই মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এই মামলায় রাজ্যেরই স্কুল শিক্ষা দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর উত্তর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগপত্রে নাম ছিল - প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জিটিএ নেতা বিনয় তামাং, তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নে🐲তা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকের।
মামলাটি যখন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সিঙ্গল বেঞ্চে শুনানির জন্য উঠেছিল, সেই সময় বিচারপতি বসু সিবিআই 🔯তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশ ছিল, সবকিছু খতিয়ে দেখার পর কেন্দ্রীয় সংস্থাকে সেই তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। কিন্তু, সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আপীল করে রাজ্য সরকার।
২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি মধুরেশ 🎃প্রসাদের সেই ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যকে ধাক্কা খেতে হয়। ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখে। অর্থাৎ - উচ্চ আদালতের উচ্চতর বেঞ্চও জানিয়ে সিব🥂িআই এই মামলার অনুসন্ধান করবে। তবে, এর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও এই ঘটনায় তার তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে।
এরপর সেই রায়কেও চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শীর্ষ আদালত অবশ্য তার পর্যবেক্🐽ষণে জানায়, কলকাতা হাইকোর্ট তা⛦ড়াহুড়ো করে এই মামলার তদন্তভার সিবিআই-কে তুলে দিয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে গত ১🃏৭ ফেব্রুয়ারি পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি জানতে চান, এসএসসি কি আদৌ পাহাড়ের শিক্ষক নিয়োগে কোনও ভূমিকা পালন করে? প্রয়োজনে আদালতবান্ধব নিয়োগ করে বিষয়টি অনুসন্ধান করা হতে পারে বলেও জানান বিচারপতি বসু। আর, এবার তিনি এই মামলায় ত🌃দন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়ে ডিআইজি সিআইডি-কে তলব করলেন।