আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে যখন কলকাতা-সহ সারারাজ্য উত্তাল, সেই আবহেই একটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, সরকারি চিকিৎসকদের একাংশ - যাঁরা নিজেরা আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সরকারি হাসপাতালে কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন, এবং বাকিদেরও সেই আন্দোলনে যোগ দিতে আᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚহ্বান জানিয়েছেন, তাঁরাই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে বেসরকারি হাসপাতালে চুটিয়ে প্র্যাকটিস করেছেন ওই সময়!
এখানেই শেষ 𓃲নয়। সেই প্রেক্ষাপটে এবং পরবর্তীতেও অভিযোগ ওঠে - সরকারি চিকিꦯৎসকদের একাংশ নিজেদের 'নন-প্র্যাকটিসিং' বলে দাবি করে একদিকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে 'নন-প্র্যাকটিসিং অ্যালাওয়েন্স' (এনপিএ) বা ভাতা নিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসও করছেন!
এমনই ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসকদের মধ্যে আটজনকে স্বাস্থ্য ভবনের শুনানির মুখে পড়তে হল। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি, 🔯২০২৫) ওই আট চিকিৎসককে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই মতো তাঁরা সকলেই ওই দিন দুপুর ২টোর মধ꧅্যে স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে যান।
এই আট সরকারি চিকিৎসকের মধ্যে রয়েছেন - ডা. দীপঙ্কর প্রধান (মেডিক্যাল অফিসার, তা🍸ম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজ), ডা. দিলীপ কুমার বেরা (মেডিক্যাল অফিসার, শালবনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল), ডা. আশুতোষ মাল (মেডিক্যাল অফিসার, হাওড়া জেলা হাসপাতাল), ডা. সামিউল্লাহ লস্কর (মেডিক্যাল অফিসার,জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল)।
এছাড়াও, বৃহস্পতিবার শুন🔜ানিতে যোগ দেওয়া চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন - তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজের ডা. তপনকুমার খাটুয়া ও ডা. সৌমিক সাহা, পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের 🧜মেডিক্যাল অফিসার ডা. দেবদ্যুতি মহাপাত্র এবং এম আর বাঙুর হাসপাতালের ডা. সুশোভন মণ্ডল।
ওই দিন এঁরা সকলেই দুপুর ২টোর মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে সেখানকার 'পাবলিক হেল্থ কমিউনিকেবল জিজিজ' বিভাগের বোর্ড রুম🐻ে ঢুকে যান।
সূত্রের দাবি, শুনানিতে এঁদের মধ্যে কেউ কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রসঙ্গত, যে সরকারি চিকিৎসকরা প্রাইভেট🌌 প্র্যাকটিস করেন না, তাঁদেরই সরকারের তরফে এপিএ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সরকারি চিকিৎসক হয়েও যাঁরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাঁদের স্বাস্থ্য ভবনের কাছ থেকে 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট' বা এনওসি নিতে হয়।
বৃ🐻হস্পতিবারের শুনানিতে অভিযুক্ত চিকিৎসদের তাঁদের শেষ পাওয়া মাসিক বেতনের পে স্লিপ এবং সংশ্লিষ্ট এনওসি আনতে বলা হয়েছিল বলে দাবি সূত্রের। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারিও একই কারণে ন'জ🧸ন সরকারি চিকিৎসককে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে। আর, এবার ডাকা হল আটজনকে।