𒈔 সদ্য হাওড়ার বেলগাছিয়ার ভাগাড়ে ধস নেমে লণ্ডভণ্ড কাণ্ড ঘটেছে। তা নিয়ে এখন রাজ্য–রাজনীতি সরগরম। যদিও সেখানে দ্রুত পদক্ষেপ করেছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যদিও সেখানে পাইপলাইন ফেটে গিয়ে নির্জলা থাকতে হয়েছিল হাওড়াবাসীকে। এবার কলকাতার ধাপায় ধস নামতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এই ধাপার ভাগাড়ে ২৫০০ টন কঠিন বর্জ্য ধারণের ক্ষমতা আছে প্রত্যেকদিন। সেখানে এখন দৈনিক ৫ হাজার টন কঠিন বর্জ্য সামলাতে হচ্ছে ধাপাকে। ফলে চাপ বাড়ছে। এই আশঙ্কার কথা জানিয়েই এবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হল নবান্নে।
🧔 এদিকে এই চাপ যদি বাড়তে থাকে তাহলে যে কোনওদিন ধাপায় ধস নেমে গোটা কলকাতা শহরে মারাত্মক কাণ্ড ঘটে যেতে পারে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম (এসওএস) জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে অবিলম্বে অর্থ দেওয়া হোক যাতে দ্রুততার সঙ্গে ৭৩ হেক্টর প্লট অধিগ্রহণ করতে পারা যায়। বর্জ্য নিষ্কাষণ করতে যাতে উন্নতমানের ব্যবস্থা করা যায় তার জন্য অর্থ দরকার। তবেই জায়গা কেনা যাবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কলকাতা পুরসভার মেয়র যিনি, রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীও তিনি। সুতরাং এখন সবটা নির্ভর করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর।
আরও পড়ুন: অখিল গিরিকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, খোদ পুলিশকর্তাকে কাঠগড়ায় তুললেন বিধায়ক
অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ড। যেখান থেকে রোজ সাড়ে চার হাজার বর্জ্য এসে জমা হয় ধাপায়। আর ৫০০ টন বর্জ্য আসে সল্টলেক, নিউটাউন এবং পানিহাটি থেকে। সতর্কীকরণ ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে যখন থেকে কলকাতা পুরসভা বলেছে,💧 হাওড়ার অতিরিক্ত ৩০০ টন বর্জ্য ধাপা নেবে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক কলকাতা পুরসভার আধিকারিক বলেন, ‘আমরা একটি রিপোর্ট তৈরি করেছি। আর সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। ওই রিপোর্ট ধাপার উপর তৈরি হয়েছে। আর সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপদ অপেক্ষা করছে ঘটার জন্য। যদি না জমি অধিগ্রহণ করে পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়।’