শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন বাংলা তোলপাড় হয়েছিল তখন একটা গ্রামের নাম বা𝔍র বারই সামনে এসেছিল সেটা হল বাগদা থানার মামা ভাগিনা গ্রাম। আসলে সেই গ্রামেরই তো বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল। সৎ রঞ্জন বলেই পরিচিত। অভিযোগ তাঁর আশীর্বাদে নাকি ঘুরপথে চাকরি পেয়েছিলেন অনেকেই।
এদিকে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশের পরেই সেই মামাভাগিনা গ্রামে কার্যত আঁধার নেমে এসেছে। এই গ্রামের একাধিক শিক্ষকের চাকরি𓂃 গিয়েছে। তারা কেউ নামখানা, কেউ গঙ্গাসাগরে চাকরি করতেন। অভিযোগ চন্দন মণ্ডলকে টাকা দিয়েই মিলেছিল চাকরি। দু লাখ, তিন লাখের বিনিময়ে মিলেছিল চাকরি। জমি বিক্রি করে, লোন নিয়ে টাকা তুলে দিয়েছিলেন। তার বিনিময়ে মিলেছিল চাকরি। আর এখন চাকরি হারিয়ে কার্যত দিশেহারা অবস্থা একাধিক পরিবারে।
মহাদেব সেন নামে এক বাসিন্দা বলেন, দেড় বিঘা জমি ছিল সেটা বেচে টাকা দিয়েছিলাম। এখন চাকরি চলে গেল। আমাদের উত্তর ২৪ পরগনার অনেকেই টাকাᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚ দিয়ে চাকরি পেয়েছিল। বাগদা, বয়রা অঞ্চলে ১০০র বেশি মানুষ টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল। এই পাড়ার নামই হয়ে গিয়েছিল মাস্টারপাড়া। এখন করার কিছু নেই।
অপর এক ღমহিলা বলেন, জমি বেচে দিয়ে টাকা জোগাড় করে টাকা দিয়েছিলাম । কী করব জানি না।
শ্য়ামলী মণ্ডল বলেন, ছেলে গঙ্গাসাগরে পাশে চাকরি করত। এবার চাক✨রি চলে গিয়েছে। এবার মাঠের কাজ করে খাবে। চন্দন মণ্ডল তো বাড়ি নেই কার কাছে গিয়ে বলব। প😼রের জায়গায় খেটে টাকা জোগাড় করেছিলাম।
পম্পা বিশ্বাস🐷 নামে এক মহিলা বলেন, প্যানেল বাতিল হয়ে গিয়েছে বলে শুনেছি। আমাদের বলার কিছু নেই। সংসার কীভাবে চলবে জানি না। আমাদের সন্তান রয়েছে ২০১৬ সালে চাকরি পেয়েছিল আমার স্বামী। চন্দন মণ্ডল কি চাকরি দিয়েছিল? সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন কত বাবুই তো আছে। পরীক্ষা দিয়েছিল চাকরি পেয়েছিল।
সৎ রঞ্জন। মামাভাগিনা গ্রাম। সেই গ্রাম ও তার আশে পাশের গ্রামের বড় ভরসা ছিল চন্দন মন্ডল। তাকে গ্রেফতারও করা হয়🌱েছিল। বাগদা ব্লকের অনেকেই তাকে টাকা দিয়ে চাকরি জুটিয়ে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ।♍
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একটা সময় ছিল যখন চন্দন মণ্ডলক❀ে টাকা দেওয়ার জন্য দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসতেন। তবে এখন সেই ভিড় আর নেই। সব শুনশান। তার বাড়িতেꦡও কার্যত তালা ঝোলে।